রাজশাহীর পুঠিয়া বানেশ্বরে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টায় বানেশ্বরের পোল্লাপুকুর এলাকায় রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পবা হাইওয়ে থানার ওসি মোজাম্মেল কাজী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহতদের মধ্যে একজন রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শান্ত ইসলাম (২২)। তিনি বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিপল ই (ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার বালাদিয়ার গ্রামে। অপর দুই নিহত একজন পুরুষ ও একজন নারী হলেও তাদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত অটোরিকশাটি রাজশাহী থেকে পুঠিয়ার দিকে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা রাজশাহীগামী রাজকীয় নামের একটি যাত্রীবাহী বাস অটোরিকশাটিকে মুখোমুখি ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই শান্ত ইসলাম নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও এক পুরুষ ও এক নারীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত অন্তত ছয়জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর সীমানা জটিলতা নিয়ে পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ করে ও বেলপুকুর থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ফলে মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা।
পবা হাইওয়ে থানার ওসি মোজাম্মেল কাজী জানায়, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যায় ও রাজকীয় নামের বাসটিকে আটক করি। ঘটনাস্থলটি বেলপুকুর থানা এলাকার ভেতর হওয়ায় আমরা সেখান থেকে চলে আসি।
খবর পেয়ে রাজশাহী মেট্রো পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

