× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০২:৪১ পিএম

পুলিশ সদস্যকে কান ধরিয়ে দাঁড় করাল বিক্ষুব্ধ জনতা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০২:৪১ পিএম

কান ধরে দাঁড়িয়ে আছেন পুলিশ সদস্য। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কান ধরে দাঁড়িয়ে আছেন পুলিশ সদস্য। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে এক পুলিশ সদস্যকে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে বিক্ষুব্ধ জনতা।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাতে এ ঘটনার একটি ভিডিও ও কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ভাইরাল ভিডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা বেলপুকুর থানার পুলিশ। জনগণের কাছে কান ধরে দাঁড়িয়ে আছে।’

এর আগে রোববার বিকেলে পুঠিয়ার ত্রিপল্লাপুকুর এলাকায় রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কে একটি বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিপল-ই বিভাগের শিক্ষার্থী শান্ত ইসলাম নিহত হন।

এ ছাড়া আরও একজন নারী ও একজন পুরুষ মারা গেলেও তাদের পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনায় আহত ছয়জন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

ঘটনার সময় ধারণ করা একটি ভিডিওতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, পুঠিয়ার দিক থেকে আসা রাজকীয় পরিবহনের একটি বাস সরাসরি অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়। এতে তার বন্ধু শান্ত ঘটনাস্থলেই মারা যান। তিনি দ্রুত বাসচালককে আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ করলে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়। রাতের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ সময় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক পুলিশ সদস্যকে জনতা কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখে।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একপর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে বেলপুকুর থানার ওসি মো. আরজুনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!