× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ০৮:২৬ এএম

ছেলেকে আল্লাহর জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছি : সাজিদের বাবা

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ০৮:২৬ এএম

খড়ের গাদার পাশে শুয়ে আছে সাজিদের পরিবার।  ছবি- সংগৃহীত

খড়ের গাদার পাশে শুয়ে আছে সাজিদের পরিবার। ছবি- সংগৃহীত

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের পাইপে আটকে থাকা দুই বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে টানা ১৬ ঘণ্টা ধরে চলছে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান। সরু ও অন্ধকার সেই গর্ত এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্ধারকর্মীদের জন্য। গ্রামজুড়ে বিরাজ করছে উৎকণ্ঠা ও শঙ্কা।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে খেলতে গিয়ে হঠাৎ ৪০ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যায় শিশু সাজিদ। মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই নলকূপের পাইপে আটকে যায় সে।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারচেষ্টা চালায়। পরে তানোর, রাজশাহী এবং পার্শ্ববর্তী ইউনিটসহ ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কিন্তু সরু পাইপের কারণে ক্যামেরা ও রেসকিউ সরঞ্জাম নিচে নামাতে ব্যাপক সমস্যা দেখা দেয়। তবুও বিরামহীন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

শিশুটির বাবা মোহাম্মদ রাকিব ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করেন। দুপুরে খবর পাওয়ার পরপরই তিনি রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা দেন। রাতে গ্রামে পৌঁছে দেখেন তার শিশুপুত্রকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের জোর তৎপরতা চলছে। ছেলেকে দেখতে না পেয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, ছেলে গর্তে পড়ার বেশ পরে আমি খবর পেয়েছি। আসতে আসতে তো অনেক সময় পার হয়ে গেল। এখনো আমার ছেলেকে দেখতে পেলাম না। বেঁচে আছে কি না- কিছুই জানি না।

তিনি আরও বলেন, এখন আল্লাহর ওপরই ভরসা। ছেলেকে আল্লাহর জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছি।

ঘটনার পর থেকেই গ্রামজুড়ে মানুষের ঢল নেমেছে। প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে শত শত মানুষ শিশুটির জন্য দোয়া করছে। প্রত্যাশা-শিশু সাজিদকে দ্রুত ও সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা যাবে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!