× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দকৃত ২২০০ লিটার ডিজেল উধাও!

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ করা ৭ হাজার লিটার ডিজেলের মধ্যে ২২০০ লিটার তেল রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেছে। নিলামে বিক্রি ও আনলোডের সময় এ চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে।

গত ৩১ মার্চ রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভোজেশ্বর বাজারে অভিযান চালিয়ে মজুত করার উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে আনা ৭ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন।

জব্দের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক, নড়িয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাকী দাস জানান, ‘বরিশাল থেকে অবৈধভাবে শরীয়তপুর নিয়ে আসা ৭ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জব্দকৃত তেল নিলামে বিক্রি করা হবে।’

পরে জব্দকৃত তেল নড়িয়া থানায় এনে সংরক্ষণ করা হয়। এরপর ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে নিলামে তোলা হলে শরীয়তপুরের মনোহর মোড়ের মেসার্স আ. জলিল ফিলিং স্টেশন ৭ লাখ টাকায় তা ক্রয় করেন। তবে লরি থেকে তেল আনলোড করতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে রয়েছে মাত্র ৪৮০০ লিটার ডিজেল। বাকি প্রায় ২২০০ লিটার ডিজেলের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। পরে উপজেলা প্রশাসন ঘাটতি অনুযায়ী অতিরিক্ত টাকা ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে ফেরত দেয়।

প্রশাসনের জিম্মায় থাকা অবস্থায় এই বিপুল পরিমাণ তেল কীভাবে উধাও হলো এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাস্থলের খুব কাছেই একটি তেলের ডিপোতে তেল পরিমাপ করার সুযোগ থাকলেও তাৎক্ষণিক সেটি করা হয়নি। তবে ওই দিন রাতেই উধাও হওয়া প্রায় ২২০০ লিটার ডিজেল স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাকী দাস বলেন, ‘আমরা অভিযানের সময় যে পরিমাণ তেল পেয়েছি, তা-ই নিলামে বিক্রি করেছি।’

এত বিপুল পরিমাণ তেল কোথায় গেল—এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা খুঁজতে আমি বাধ্য নই।’

অন্যদিকে নড়িয়া থানার ওসি মো. বাহার মিয়া বলেন, ‘ইউএনও অফিসে তেলের গাড়ি রাখার জায়গা না থাকায় থানার মধ্যে তেলবাহী লরিটি রাখা হয়। কিন্তু অফিসিয়ালি পুলিশের জিম্মায় তেলের লরিটি দেওয়া হয়নি। লরিতে কী পরিমাণ তেল ছিল সে ব্যাপারেও আমি কিছু জানি না।’

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, ‘উপজেলার ভোজেশ্বর বাজার থেকে একটি লরিভর্তি ৭ হাজার লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ করা হয়। লরিটি নড়িয়া থানায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু নিলামে বিক্রির পর দেখা যায় সেখানে ২২০০ লিটার তেল কম। আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করছি। তেল সরানোর সঙ্গে কোনো কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!