× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: নভেম্বর ১১, ২০২৪, ১০:৪৬ পিএম

ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে পেটানোর ঘটনায় সেই এসিল্যান্ডকে কিশোরগঞ্জে বদলি

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: নভেম্বর ১১, ২০২৪, ১০:৪৬ পিএম

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

শরীয়তপুর ডামুড্যার বিতর্কিত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসিল্যান্ড মো. আবু বক্কর সিদ্দিককে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাশিয়া  তুল ইসলাম সোমবার ১১ নভেম্বরে সাক্ষরিত এক আদেশে তাকে শরীয়তপুর ডামুড্যা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) থেকে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে বদলি করা হয়।  

এবং ১১ নভেম্বর থেকে তার নিজ কর্মস্থল থেকে তাকে অবমুক্ত করেন, তবে বদলির আদেশে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে দোকান থেকে তুলে নিয়ে নিজের অফিস কক্ষে পেটানোর অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছেন জেলা প্রশাসক।

এর আগে  ডামুড্যা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু বকর সিদ্দিক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় এক দোকানিকে মারিপিট ও লাঞ্চিতর অভিযোগ তুলে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন ভুক্তভোগী ব্যাবসায়ী সোলাইমান ফরাজী। এর পেক্ষিতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যলয় থেকে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসককে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। গত বুধবার ৬ নভেম্বর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যাবস্থাপনা) পিংকি সাহাকে তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসক।

তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা জানান, আমাকে ঘটনার তদন্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো। তবে দুই পক্ষে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করে নেয়। তবে বিভাগীয় কমিশনার মনে করছে তাকে এখন বদলি করা লাগবে তাই তাকে বদলি করা হয়েছে। 

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমি এখনো তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাইনি, তবে দুই পক্ষ স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করে নিয়েছে। অভিযোগ পত্র উঠিয়ে নিয়েছে। আমি এখন বাইরে আছি অফিসে গিয়ে প্রশাসনিক ভাবে তাকে রিলিজ দেওয়া হবে।

আরবি/জেডআর

Link copied!