× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে আনন্দে মাতোয়ারা সিলেটের শিক্ষার্থীরা

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম

নতুন বই হাতে পাওয়ার আনন্দে উচ্ছ্বসিত সিলেটের শিক্ষার্থীরা। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

নতুন বই হাতে পাওয়ার আনন্দে উচ্ছ্বসিত সিলেটের শিক্ষার্থীরা। ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

নতুন বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পাওয়ার আনন্দে উচ্ছ্বসিত সিলেটের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল থেকেই স্কুলমুখী হয়ে তারা রঙিন মলাটের বই বুকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। কেউ নতুন বইয়ের পাতা উল্টে দেখছে, কেউ আবার বন্ধুদের সঙ্গে বই দেখিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করছে।

সিলেটের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসা ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড় জমতে শুরু করে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন ক্লাসে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট শিট যাচাই করে শিক্ষকরা তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন নতুন পাঠ্যবই।

সিলেট বিভাগের চারটি জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ১৬ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫৮ লাখ ৮৫ হাজার ২৩টি বই বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২ লাখ ২৫ হাজার, প্রথম শ্রেণিতে ২ লাখ ৯৯ হাজার, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ লাখ ৯০ হাজার, তৃতীয় শ্রেণিতে ২ লাখ ৭০ হাজার, চতুর্থ শ্রেণিতে ২ লাখ ৮০ হাজার এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ২ লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় উপপরিচালক আবু সায়ীদ মো. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বই উৎসব হচ্ছে না। স্কুলগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করছে।

জানা গেছে, সিলেট বিভাগের সাড়ে ১৬ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দকৃত ৫৮ লাখ ৮৫ হাজার ২৩টি বই শতভাগ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় পৌঁছে গেছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৫৮ লাখ ১২ হাজার ২৪৪টি এবং ইংরেজি ভার্সন স্কুলের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৭২ হাজার ৭৭৯টি বই রয়েছে।

তবে মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল পর্যায়ে বই সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। সিলেট বিভাগের ১২ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর জন্য মোট ১ কোটি ৩২ লাখ ২৬ হাজার ৮১৯টি বইয়ের চাহিদার বিপরীতে এ পর্যন্ত পৌঁছেছে ৯৬ লাখ ৮৫ হাজার ১১৬টি বই, যা মোট চাহিদার প্রায় ৬৯ শতাংশ। ফলে প্রায় ৩১ শতাংশ বই এখনো না পাওয়ায় এসব পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী নতুন বছরের প্রথম দিনে সব বই হাতে পায়নি।

মহানগরীর টিলাগড় এলাকার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহসান ইউসুফ সামী বলেন, নতুন বই পেয়ে খুব ভালো লাগছে। বাসায় গিয়েই সব বই খুলে দেখব, পড়াশোনা শুরু করব।

একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জানায়, নতুন বইয়ের গন্ধটাই আলাদা। আজকে স্কুলে এসে খুব আনন্দ লাগছে।

অভিভাবক মোহাম্মদ আলী বলেন, শিশুরা নতুন বই পেলে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। সরকার সময়মতো বই দেওয়ার চেষ্টা করছে, এটা ভালো উদ্যোগ।

আরেক অভিভাবক রওশন আরা বেগম জানান, সব বই একসাথে না পেলেও যেগুলো পেয়েছে তাতেই বাচ্চারা অনেক খুশি। বাকিগুলো দ্রুত পেলে আরও ভালো হতো।

মহানগরীর টিলাগড় এলাকার আলহাজ অছিয়ত আলী-করিমুন্নেছা হাফিজিয়া দাখিল মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আব্দুল মুকিত বলেন, ‘নতুন বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। নতুন বই শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও উদ্দীপনা তৈরি করে। সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিক বই উৎসব না থাকলেও বিদ্যালয় পর্যায়ে সুশৃঙ্খলভাবে বই বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। আশা করছি, বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী হবে।’

উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, এ বছর কোনো আনুষ্ঠানিক বই উৎসব হবে না। ১ জানুয়ারি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজ নিজ স্কুলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!