ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

এবার সিলেটে ইসলামী ব্যাংকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দেড় লাখ টাকা স্থানান্তর

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
ইসলামী ব্যাংক। ছবি : সংগৃহীত

দুই মাসে ব্রাক ব্যাংকের অ্যাপস হ্যাক করে তিন লাখ টাকা স্থানান্তরের পর এবার সিলেটে ইসলামী ব্যাংকের শাখা থেকে আরেক গ্রাহকের ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা অ্যাপস ব্যবহার করে অন্য একটি ব্যাংকের হিসেবে স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল ও অ্যাপস হ্যাক না করে কীভাবে কারা অনমুতি ছাড়া টাকা স্থানান্তর করেছে সেই প্রশ্ন তুলেছেন গ্রাহক।

ভুক্তভোগী গ্রাহক শহরতলীর শাহপরান এলাকার বাহুবলের বাসিন্দা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাজেদ আহমদ এ বিষয়ে সোমবার (১১ মে) ইসলামী ব্যাংক শাহপরান শাখা ব্যবস্থাপক বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন। অনুলিপি দিয়েছেন ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের কাছে।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন ইসলামী ব্যাংক শাহপরাণ (রহ.) ব্যাংকে তার নামীয় ব্যাংক (নম্বর-২০৫…১৪) থেকে (সেলফিন অ্যাপস মাধ্যমে) গত ৩ মে অন্য ব্যাংকের হিসেবে ১ লাখ ৪৭ হাজার নিয়ে যায়। কিন্তু তিনি নিজে কোনো টাকা উত্তোলন করেননি বা কাউকে টাকা উত্তোলনের অনুমতিও দেননি। তিনি জরুরি ভিত্তিতে তদপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে ক্ষতিগ্রস্থ অর্থ ফেরত পাওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেন।

মাজেদ জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংকে সেলফিন অ্যাপস কিংবা তার ডিভাইস হ্যাক হয়নি। তিনবারে টাকা স্থানান্তর করা হয়। অথচ কোনো ওটিপি আসেনি, একটি পিন এসেছে। তিনি জানান, স্টেটমেন্ট অনুযায়ী ৩ মে ৫০ হাজার করে দুইবার ও ৪৭ হাজার টাকা একবার স্থানান্তর করা হয়েছে। টাকাগুলো জান্নাত এন্টারপ্রাইজ নামে ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটি হিসেবে (৩৩৮১১০০৪৭৯১৯১) স্থানান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপক আশরাফ উদ্দিন জানিয়েছেন, গ্রাহক একটি অভিযোগ দিয়েছেন। সেটি প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হবে। টাকা স্থানান্তর কীভাবে হয়েছে তা গ্রাহক ভালো জানতে পারেন। তার মোবাইল বা অ্যাপস অন্য কেউ ব্যবহার করেছেন কি না সেটা তিনি বলতে পারবেন।

সিলেটে এর আগে গত মার্চে ব্রাক ব্যাংকের অ্যাপস হ্যাক করে ৩ লাখ টাকা স্থানান্তরের অভিযোগ করেন নগরীর আম্বরখানা বড়বাজার এলাকার মো. আবদুল হান্নান চৌধুরীর ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন আজাদ চৌধুরী। তিনি এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেন।