× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম

সিলেটে আলোচিত শিশু ফাহিমার খুনির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল জনতা

সিলেট ব্যুরো

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সিলেটে চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার জাকির হোসেনের বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজের পর মানববন্ধন শেষে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জাকিরের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা জাকিরের বসতঘর ভেঙে ফেলে।

জাকির হোসেন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা। নিহত ফাহিমা জাকিরের প্রতিবেশী দিনমজুর রইসুল হকের মেয়ে।

জানা গেছে, শিশু ফাহিমার খুনি জাকিরের ফাঁসির দাবিতে শুক্রবার জুমার নামাজের পর এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে এলাকাবাসী বর্বরোচিত এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাকিরের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। পরে মানববন্ধন থেকে মিছিলসহ এলাকাবাসী জাকিরের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তারা জাকিরের ঘরের বেড়া, চাল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন।

খবর পেয়ে জালালাবাদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব জানান, জুমার নামাজের পর মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী গিয়ে বাড়িতে ভাঙচুর চালান। তিনি বলেন, এর আগেও জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর স্থানীয় লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল। সে সময় বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে পুলিশ সদস্যরাও লাঞ্ছিত হন।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় চারবছরের শিশু ফাহিমা আক্তার। দুদিন পর ৮ মে বাড়ির পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ১১ মে রাতে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফাহিমার প্রতিবেশি জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে জাকির হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। সে জানায় সিগারেট আনতে সে ফাহিমাকে দোকানে পাঠিয়েছিল। দোকান থেকে ফেরার পর ফাঁকা ঘরে সে ফাহিমাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। 

এ সময় ফাহিমা অজ্ঞান হয়ে পড়লে সে তাকে গলাচেপে হত্যা করে। এরপর দুদিন মরদেহ ঘরে রাখে। গুম করতে না পেরে পরে লাশ বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ের বাঁশ ও নারিকেল গাছের নিচে ফেলে আসে।

Link copied!