× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ও মেডিকেল প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম

টাঙ্গাইলে পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ 

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ও মেডিকেল প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম

পুলিশের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

পুলিশের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবস্থিত মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের সময় ‘মিস ফায়ারে’ মাসুম মিয়া (১৯) নামের এক কনস্টেবল গুরুতরভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়েছে এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) ভর্তি রয়েছেন তিনি।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, পুলিশে যোগ দেওয়ার পর মাসুম চার মাসের প্রশিক্ষণে ছিলেন। তার প্রশিক্ষণ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে সোমবার সকালে অস্ত্র চালানোর সময় অন্য এক প্রশিক্ষণার্থীর রাইফেলের গুলি ‘মিস ফায়ার’ হয়ে মাসুমের পিঠে আঘাত হানে। গুলিটি বুকের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ তৌফিক ইসলাম জানান, টাঙ্গাইলের মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণরত টিআরসি নম্বর-২৬৫২০৪ মাসুম প্রশিক্ষণকালীন পরীক্ষার সময় হঠাৎ একটি চায়না রাইফেলের গুলি তার পিঠের বাম পাশের কাঁধে লেগে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য র‍্যাবের হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে প্রশিক্ষণার্থী কনস্টেবলদের অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ চলছিল। এ সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মাসুম সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচী গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি ২০২৫ সালে পুলিশে যোগ দেন এবং অক্টোবর মাসে মহেড়া ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য আসেন।

এ ঘটনায় ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট ডিআইজি মোহাম্মদ আশফাকুল আলমসহ অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা মোবাইলে কল রিসিভ করেননি।

Link copied!