× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

৪৫ বছর পর প্রাণ ফিরে পাচ্ছে কুচিয়া খাল

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

প্রাণ ফিরে পাচ্ছে কুচিয়া খাল। ছবি : রূপালী বাংরাদেশ

প্রাণ ফিরে পাচ্ছে কুচিয়া খাল। ছবি : রূপালী বাংরাদেশ

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া কুচিয়া খালের পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার দশক পর খালটি পুনরায় খননের উদ্যোগ নেওয়া হলো।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার রক্তিপাড়া (দক্ষিণ) গ্রামে এ কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নঈম উদ্দিন, মধুপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সহসভাপতি এম রতন হায়দার, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ফারহাদ হোসেন তরফদার, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন খান বাবলু ও আব্দুল লতিফ পান্না। এ ছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ও বর্তমান কমান্ডার এম এ সামাদ এবং আব্দুস সামাদ তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব আল রানা। উদ্বোধন শেষে অতিথিরা প্রতীকীভাবে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এবং ঝুড়িতে বহন করে খনন কাজের সূচনা করেন। পরে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়রা জানান, টুকনাই নদী (স্থানীয় নাম) ও মহাসড়কের পশ্চিম পাশের বেনাই বিলের সঙ্গে সংযোগকারী এই কুচিয়া খালটি একসময় এলাকার পানি প্রবাহের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। তবে দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব ও দখলের কারণে খালটির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

আলোকদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক চান মিয়া বলেন, ১৯৮০ সালে তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার এই খালসহ একাধিক খাল খননের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে খনন কাজ শুরু হলেও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা আবার অচল হয়ে পড়ে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন জানান, উপজেলার মোট ২২টি খাল পুনর্খননের জন্য তালিকা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নঈম উদ্দিন বলেন, খালটি পুনর্খনন হলে স্থানীয় কৃষকরা সেচ সুবিধা পাবেন এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে বহুমাত্রিক সুফল বয়ে আনবে। খালের জায়গা দখল করে রাখা ব্যক্তিদের স্বেচ্ছায় দখল ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০২৫–২০৩০ মেয়াদে সারাদেশে খাল খনন ও পুনর্খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!