× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম

আদালতের গাম্ভীর্য থেকে বের হয়ে ক্রিকেটে মেতে উঠলেন বিচারকরা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে বিচারাঙ্গনের ব্যস্ত ও গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ থেকে একদিনের জন্য বেরিয়ে এসে ব্যাট-বলের লড়াইয়ে মেতে উঠলেন বিচারকরা। ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালত একাদশ বনাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে নাটকীয় জয় পেয়েছে জেলা জজশিপ একাদশ।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ মাঠে এই প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ শুরু হয়। খেলা উদ্বোধন করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ও প্রীতি ম্যাচ আয়োজক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মো. জামাল হোসেন এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. লুৎফর রহমান।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একাদশ। শুরু থেকেই ব্যাটসম্যানরা আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকেন। নির্ধারিত ১৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে দলটি সংগ্রহ করে ১৭২ রান। ইনিংস জুড়ে ছিল টানা বাউন্ডারি, দ্রুত রান তোলার চেষ্টা আর দর্শকদের করতালি। ১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং প্রদর্শন করে জেলা জজশিপ একাদশ।

জেলা ও দায়রা জজ মো. জামাল হোসেনের নেতৃত্বে এবং ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল বারীর অধিনায়কত্বে দলটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। ওপেনিং জুটি থেকেই আসতে থাকে বড় শট, মাঝের ওভারে রান তোলার গতি আরও বাড়ে। মাত্র ১৩ ওভারেই ৪টি উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তুলে লক্ষ্য পূরণ করে জেলা জজশিপ একাদশ। তিন উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় তাদের। শেষ দিকে কয়েকটি দর্শনীয় শটে ম্যাচের উত্তেজনা চূড়ায় পৌঁছায়।

খেলাশেষে মাঠজুড়ে দেখা যায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস। দুই দলের খেলোয়াড়, বিচারক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ। প্রীতি ম্যাচ হলেও মাঠে ছিল প্রতিযোগিতার উত্তাপ, আর সেই উত্তাপেই বিচারাঙ্গনের বাইরে এক ভিন্ন রূপে ধরা দেয় মানবিক সম্পর্ক ও বন্ধন। এই প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ বিচারকদের শারীরিক চর্চার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে এমনটাই মনে করছেন আয়োজকরা।

বিচারকরা জানান, প্রতিদিনের বিচারিক কার্যক্রমে দায়িত্বের চাপ ও মানসিক ক্লান্তি স্বাভাবিক বিষয়। সেই চাপের বাইরে এসে এমন প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ তাদের জন্য এক ধরনের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। খেলাধুলার মাধ্যমে শরীর যেমন চাঙা থাকে, তেমনি সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কও আরও দৃঢ় হয়।

তারা আরও বলেন, বিচারাঙ্গনের গাম্ভীর্য আর শৃঙ্খলার বাইরে মাঠে নামলে সবাই সমান এখানে পদবি বা চেয়ার নয়, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে দলগত প্রচেষ্টা ও সৌহার্দ্য। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে বিচারকদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকবৃন্দ, বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, আইনজীবী, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিপুল সংখ্যক দর্শক।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!