ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে ২০১ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও নির্বিঘ্ন করতে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে।

ঠাকুরগাঁও জেলায় মোট ১২ লাখ ১ হাজার ৪৭৩ জন ভোটার রয়েছেন। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৪১৭টি। এর মধ্যে ২০১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ৪১টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভোটারদের অবাধ, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে জেলায় ৯ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, ২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১ হাজার ২৫০ জন পুলিশ সদস্য, ১১ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ৩২ প্লাটুন বিজিবি, ৩ প্লাটুন র‌্যাব এবং প্রায় ৬ হাজার আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে ১৩ জন আনসার সদস্য এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ২ থেকে ৩ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি পুলিশ সদস্য বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করে দায়িত্ব পালন করবেন।

যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলার জন্য সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে পাঁচটি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও একাধিক মোবাইল টিম গঠন করা হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জেলার ৪১৭টি ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। ভোটগ্রহণের আগের দিন থেকে ভোটগ্রহণের পরের দিন পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরার রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, জেলা নির্বাচন মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, সেনাবাহিনী ও বিজিবির সিও এবং র‌্যাবের প্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ৪১৭টি কেন্দ্রসহ জেলার যেকোনো স্থানে কোনো অঘটনা ঘটলে অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে মোবাইল টিম পৌঁছাতে পারবে।