ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

‘স্বামী’ পরিচয়ে মরদেহ ফেলে যাওয়া সেই তরুণীর পরিচয় শনাক্ত

মেডিকেল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৩:৪৩ পিএম
রাশেদা আক্তার। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে হিমশীতল ফুটপাতে ফেলে যাওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। মৃতা রাশেদা আক্তার (২২) মাগুরা সদর উপজেলার পুখুরিয়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের কন্যা।

পরিবারের দাবি, রাশেদাকে গ্রামের প্রতিবেশী নয়ন ইসলাম হত্যা করেছে। স্বজনরা বলছেন, নয়নই ওই তরুণীকে শ্বাসরোধ করে মেরে হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছে।

রাশেদা মাত্র ১৬ দিন আগে মাগুরা থেকে ঢাকায় এসেছিলেন। তিনি সম্প্রতি আলোকদিয়া অমরেশ বসু ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি চলাকালীন তিনি বড় বোন খালেদা আক্তারের সঙ্গে মিরপুর-১ এলাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করছিলেন।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে বড় বোন খালেদা এবং ভগ্নিপতি মামুন মরদেহ শনাক্ত করেন। তারা জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে নয়ন মিরপুরে রাশেদার বাসার সামনে এসে তার সঙ্গে দেখা করেন এবং একটি দোকানের সামনে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এরপর থেকেই রাশেদা নিখোঁজ ছিলেন।

খালেদা আক্তার অভিযোগ করেন, নয়ন দীর্ঘদিন ধরে আমার বোনকে উত্ত্যক্ত করত। তার যন্ত্রণায় রাশেদা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারত না। আমরা নয়নসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবার কঠোর বিচার চাই।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম আজম বলেন, স্বজনরা মঙ্গলবার রাতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। অভিযুক্ত নয়নকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।