রাজধানীর তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজার এলাকায় বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর দুই দুর্বৃত্তকে দৌড়ে পালতে দেখা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকারীরা ঘটনাস্থলে আগে থেকেই অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর আশপাশের ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ এখন পর্যন্ত দুজনকে দৌড়ে পালাতে দেখেছে। আরও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ফজলুল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত মোস্তাফিজুর রহমান ওই এলাকায় বসবাস করতেন না। তিনি অন্য এলাকায় থাকতেন। তার স্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি মাঝে-মধ্যে তেজতুরী বাজার এলাকায় যেতেন। নিরাপত্তার কারণে তার বাসার ঠিকানা প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এডিসি ফজলুল করিম আরও বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিবার একটি এজাহার জমা দিয়েছে। এজাহারে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে এটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে।
গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে স্টার কাবাবের পেছনের একটি গলিতে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা আরেকজনও গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ ওই ব্যক্তির নাম আবু সুফিয়ান। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আবু সুফিয়ান কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য এবং ঘটনা সংঘটিত হওয়ার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।



