ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সংসদে গিয়ে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব আনব

বাসস
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
ডা. তাসনিম জারা। ছবি : সংগৃহীত

আমার নির্বাচনি আসন যদিও শহরের প্রাণকেন্দ্র, তারপরও মানুষ যখন চুলা জ্বালায়, রান্না করার জন্য গ্যাস বের হয় না। তবে মাসে মাসে বিলটা ঠিকই দিতে হয়। আমার প্রস্তাবনা হচ্ছেসংসদে গিয়ে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব আনব। এ ছাড়া পাইপলাইনে গ্যাস দিতে যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে এলাকায় যাতে ভর্তুকি বা ন্যায্য দামে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করে।  

সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। 

তিনি আরও বলেন, আমার আসনে প্রায় ছয়-সাত লাখের বেশি মানুষ থাকে, তবে এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য মাত্র একটি সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। আর এই মুগদা হাসপাতালে জনবলের সংকট আছে, যন্ত্রপাতি সংকট আছে, রোগীরা ভোগান্তির শিকার হয়, অব্যবস্থাপনা আছে। এই মেডিকেলে যাতে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকে, পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ হয় সে জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমি যোগাযোগ রাখব। আমাদের যে পাড়ার ক্লিনিকগুলো আছে, সেগুলো যাতে আধুনিকায়ন করতে পারি সেটার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেব, যাতে এই ক্লিনিকগুলো মিনি হাসপাতালের মতো হয়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘এ ছাড়া ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সারা বছর কাজ করবে এমন স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড গঠন করব। নারী স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে হাসপাতাল ও সরকারি স্থাপনায় অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের জন্য নিয়মিত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা, ব্রেস্টফিডিং স্পেস এবং নারীবান্ধব টয়লেট নিশ্চিত করা হবে।’

স্কুলে ভর্তিতে এমপির (সংসদ সদস্য) কোনো কোটা বা সুপারিশ থাকবে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে একমাত্র মানদণ্ড। এ ছাড়া স্কুলে আধুনিক বিজ্ঞান ল্যাব, কোডিং ক্লাব ও লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।  

তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন কেবল প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যম নয়; বরং এর মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে। যেখানে দেশের প্রত্যেক নাগরিক তাদের ন্যায্য অধিকার ভোগ করতে পারবেন। নাগরিকরা সেবা গ্রহণের জন্য প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরবে না, বরং এগুলোই তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।