× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১০

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরায় গ্যাস পাইপলাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে উত্তরা কামারপাড়ার ১০ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধরা হলেন— রুবেল (৩০), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই দুবাইপ্রবাসী এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী দেলেরা (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১০), এনায়েতের ছোট ভাই হাবিব (৩০), ভাগনি আয়েশা (১৯) এবং আরেক রুবেল (৩৫)।

স্বজন ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, কামারপাড়ার ১০ নম্বর সেক্টরের কবরস্থান রোডে মেম্বার বাড়ির পাশের আবুল কালামের মালিকানাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণটি ঘটে। ওই বাসায় রাইড শেয়ারিং চালক রুবেল তার পরিবার নিয়ে থাকতেন। তার চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই থেকে দেশে এসে গ্রাম মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা থেকে পরিবার নিয়ে রুবেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন।

একই ভবনের চারতলায় থাকা স্বজন সাজেদ মাতব্বর জানান, ভোরে বিকট শব্দ শুনে নিচে নেমে দেখেন ভবনের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার দেয়ালের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের ভেতরে থাকা ১০ জনই দগ্ধ হন। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে সোনিয়া আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এছাড়া এনায়েত আলী ৪৫ শতাংশ, রিয়া আক্তার ৩২ শতাংশ, রুবেল (৩০) ৩২ শতাংশ, শিশু রোজা ১৮ শতাংশ, জুনায়েদ ২৪ শতাংশ, দেলেরা খাতুন ১৪ শতাংশ, রুবেল (৩৫) ৭ শতাংশ, হাবিব ১৯ শতাংশ এবং আয়েশা আক্তার ১২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, যাদের দগ্ধের মাত্রা বেশি তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। অন্যদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে আইসিইউতে নেওয়া হবে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দুটি ইউনিট পাঠানো হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই বাসার লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গিজার বা গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকেই বিস্ফোরণটি ঘটেছে।

Link copied!