× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম

পল্লবীতে কিবরিয়া হত্যায় আসামিদের কার কী ভূমিকা ছিল জানাল র‌্যাব

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৩:১৪ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে হত্যার ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তার হওয়া দুজনই শুটার বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের বিভিন্ন ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১-এর পাইকপাড়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪-এর কোম্পানি কমান্ডার (সদর কোম্পানি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহাবুদ্দিন কবির।

তিনি বলেন, কিবরিয়া হত্যার পরিকল্পনাকারী পাটা সোহেল ও গোখরা সুজনকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিন শুটারের মধ্যে জনিকে ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করা হয়। সর্বশেষ অভিযানে শুটার রোকন এবং কাল্লু ওরফে জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে আরও কিছু তথ্য গোপন রাখা হয়েছে। পরবর্তী তদন্ত ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের সঙ্গে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী মশিউর রহমান মশির যোগসাজশ রয়েছে।

আসামিদের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভাগিনা মাসুমের দায়িত্ব ছিল আসামিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া (রেসকিউ)। সার্বিক তদারকিতে ছিল পাটা সোহেল। নিহত কিবরিয়ার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সুজন। তিন শুটার দোকানে ঢুকে কিবরিয়াকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।’

গত বছরের ১৭ নভেম্বর মিরপুর-১২ নম্বরের বি ব্লকে ‘বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি’ নামের একটি দোকানে হেলমেট ও মুখোশ পরা তিন সন্ত্রাসী গুলি করে কিবরিয়াকে হত্যা করে।

পালিয়ে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠে। দ্রুত না চালানোয় চালক আরিফ হোসেনের (১৮) কোমরে গুলি করা হয়। এ সময় স্থানীয়রা জনি ভূঁইয়া (২৫) নামে একজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

এ ঘটনায় নিহত কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার ওরফে দীনা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় জনিসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন—সোহেল ওরফে পাটা সোহেল ওরফে মনির হোসেন (৩০), সোহাগ ওরফে কালু (২৭), মাসুম ওরফে ভাগিনা মাসুম (২৮) এবং রোকন (৩০)। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলাটির তদন্ত করছে পল্লবী থানা পুলিশ।

Link copied!