× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২৫, ০১:২৭ পিএম

সাব-জেলে যেভাবে কাটছে ১৫ সেনা কর্মকর্তার সময়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২৫, ০১:২৭ পিএম

মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা।  ছবি- সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা। ছবি- সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম ও হত্যার অভিযোগে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ১৫ জন শীর্ষস্থানীয় সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে সেনানিবাসে অবস্থিত সাব-জেলে রয়েছেন। সাব-জেলে তাদের সময় কাটছে শান্ত পরিবেশে। বেশির ভাগ সময় তারা বই-পত্রিকা পড়ে বা শুয়ে-বসে সময় কাটাচ্ছেন, কেউ কেউ টেলিভিশন দেখছেন ও নামাজ-কালাম পড়ছেন। তাদের সহায়তায় কয়েকজন সেবকও নিয়োজিত রয়েছেন।

কারা সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক সেনা কর্মকর্তাকে সাব-জেলে পৃথক কক্ষে রাখা হয়েছে। সেখানে মোট ১৬টি কক্ষ রয়েছে। আসামিদের খাদ্য সরবরাহ কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশিত মেন্যু অনুযায়ী হচ্ছে। সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারে রুটি, ভাত, ডাল, সবজি এবং পছন্দ অনুযায়ী মাছ বা মাংস দেওয়া হচ্ছে। কারা সূত্র জানায়, স্বজনদের কেউ কেউ বাসা থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে এলেও সেগুলো ভেতরে নিতে দেওয়া হয়নি।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুরাইয়া আক্তার জানিয়েছেন, সাব-জেলটি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অধীনে হলেও সব বিধিবিধান ও নিয়মকানুন অন্যান্য কারাগারের মতোই মানা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বুধবার আমি সাব-জেলে গিয়েছিলাম। আসামিদের কিছুটা বিমর্ষ মনে হয়েছে। তারা কী করবে বুঝে উঠতে পারছে না। তবে কেউ অস্বাভাবিক আচরণ করেনি। আমি তাদের বলেছি—সাব-জেলে থাকা অবস্থায় অবশ্যই কারাবিধি মেনে চলতে হবে।’ তিনি জানান, আসামিরা বিধি মেনে চলবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

সাব-জেলে আসামিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছেন তাদের স্ত্রী ও সন্তানরা। বুধবার (২২ অক্টোবর) ছিল তাদের প্রথম দিন। প্রথম দিন সাধারণত আধা ঘণ্টার জন্য সাক্ষাৎ নির্ধারিত থাকলেও স্বজনদের সংখ্যার কারণে প্রত্যেককে ২০ মিনিট করে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন দুইজন এআইজি (প্রিজন) ও তিনজন ডেপুটি জেলারসহ জ্যেষ্ঠ কারা কর্মকর্তা।

পরবর্তী সাক্ষাৎ হবে ৫ নভেম্বর। তবে প্রথম সাক্ষাতের ১৫ দিন পর আবারও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন তারা।

Link copied!