× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১, ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম

‘আন্দোলনে নয়, আইন মেনেই হবে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সিদ্ধান্ত’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১, ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংক ঘিরে চলমান বিক্ষোভ, বোর্ড পরিচালনা ও পরিচালক নিয়োগ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, কোনো ব্যাংকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত রাস্তার আন্দোলন বা চাপের মুখে নেওয়া হবে না। আইন ও বিধি অনুযায়ীই সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ব্যাংকের কোনো সিদ্ধান্তই রাস্তার কোনো আন্দোলনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে না। যেকোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিক্ষোভ প্রদর্শন, মত প্রকাশ কিংবা আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো আবেগ বা চাপের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ এবং আইনগত বিধান বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবে।

ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি ব্যাংকের পরিচালক হতে পারেন না। ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকে এক ব্যক্তির প্রায় ৩ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ থাকার বিষয়ে গণমাধ্যমে যে তথ্য প্রকাশ হয়েছে এবং যা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনেও উঠে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী খেলাপি অবস্থায় কারও পরিচালক পদে থাকার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, পরিচালক নিয়োগের আগে এসব বিষয় যথাযথভাবে যাচাই করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং আইন ভঙ্গের কোনো সুযোগ নেই।

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজনের অনুমতির বিষয়ে আরিফ হোসেন খান বলেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যের কারণে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই সরাসরি সভার পরিবর্তে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বোর্ড সভা আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ভবনের বাইরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। তবে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

রাজনৈতিক প্রভাবের প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, গভর্নরের স্পষ্ট অবস্থান হলো, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিংবা কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। কোনো কর্মকর্তা রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়লে তা সরাসরি গভর্নরকে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে গভর্নর নিজেই সেই চাপ মোকাবিলা করবেন।

তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যাংককে নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত করা সঠিক নয়। কোনো ব্যাংক যদি একটি রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তাহলে তা ব্যাংকটির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যালোচনা করছে, কোনো কোনো ব্যাংক বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা সংগঠনের সংকটে পরিণত হচ্ছে কি না। বাংলাদেশ ব্যাংকের অবস্থান স্পষ্ট কোনো ব্যাংকই কোনো রাজনৈতিক দলের হতে পারে না। রাজনৈতিক পরিচয় একটি ব্যাংকের অস্তিত্ব ও টেকসই পরিচালনার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি।

উল্লেখ্য, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তন, পরিচালনা পর্ষদের পুনর্গঠন এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পুনর্বহালের দাবিতে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছে। এ নিয়ে গ্রাহক, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!