× UCB Sticker Card
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

নতুন পে-স্কেলে বেসরকারি চাকরিজীবীরাও কী সুবিধা পাবেন?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হতে পারে। তবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির এ উদ্যোগের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে দেশের কয়েক কোটি বেসরকারি চাকরিজীবীর ভবিষ্যৎ ও সুযোগ-সুবিধার প্রশ্ন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলেও শুরু থেকেই সব সুবিধা একসঙ্গে পাওয়া যাবে না। আলোচনায় থাকা প্রস্তাব অনুযায়ী প্রথম ধাপে সংশোধিত মূল বেতনের একটি অংশ কার্যকর করা হতে পারে, পরে ধাপে ধাপে বাকি অংশ এবং অন্যান্য ভাতা সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। ফলে জুলাই থেকে কার্যক্রম শুরু হলেও বর্ধিত বেতনের আর্থিক সুবিধা পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকরের নীতিগত সিদ্ধান্ত ধরে রেখেই বৈঠকে এর রূপরেখা, আর্থিক প্রভাব, প্রশাসনিক সংস্কার এবং বাস্তবায়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জনপ্রশাসনে কর্মদক্ষতা, জবাবদিহি এবং সেবার মান উন্নয়নের বিষয়ও গুরুত্ব পেয়েছে।

এদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি অবসরোত্তর ছুটিতে (এলপিআর) থাকা কর্মী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়েও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তবে স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। কারণ এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো নিজস্ব সার্ভিস রুলস বা আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়।

এদিকে নতুন পে স্কেল ঘিরে আরেকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—দেশের বিশাল বেসরকারি কর্মজীবী জনগোষ্ঠীর জন্য কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৯৫ শতাংশই বেসরকারি খাতে। শিল্প, সেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যাংকিং, টেলিযোগাযোগ, গণমাধ্যমসহ অর্থনীতির প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ খাতেই বেসরকারি কর্মীদের অবদান রয়েছে।

তবে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য এখনও সমন্বিত চাকরি-নীতিমালা, চাকরির নিরাপত্তা, ন্যায্য বেতনকাঠামো কিংবা কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। কয়েক বছর আগে বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের জন্য একটি সমন্বিত সার্ভিস রুলস প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা এখনও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় সংসদে বিষয়টি উত্থাপিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি চাকরিজীবীদের একটি বড় অংশের দাবি, সরকারি কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বেসরকারি কর্মীদের জন্যও ন্যূনতম কর্মসংস্থানের মানদণ্ড, চাকরির নিরাপত্তা, পেনশন সুবিধা এবং শ্রমবান্ধব নীতিমালা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, জনপ্রশাসন অর্থাৎ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পে-স্কেলের বিষয়টি মোটামুটি চূড়ান্ত হয়েছে। তবে কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাবে কিংবা কত ধাপে তা বাস্তবায়ন হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কমিটির সদস্যরাই জানাতে পারবেন। এ ছাড়াও পে-স্কেল কারা কেমন সুবিধা পাবেন সেই বিষয়েও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

Link copied!