× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেনাকাটা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

মাউশির লোগো। ছবি- সংগৃহীত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি কেনাকাটায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে। ভুয়া বিল–ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ, প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত মূল্য দেখানো এবং জবাবদিহিতার অভাব—এসব অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষাখাতের সুশাসনও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

এ ধরনের অনিয়ম রোধ এবং সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সব সরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কেনাকাটা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়। ইতোমধ্যে এ আদেশ সব প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক প্রণীত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন বিধিমালাটি ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালার বিধি ১৫০ (১) অনুযায়ী, আইনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আইনের আওতায় প্রক্রিয়াযোগ্য সব সরকারি ক্রয় কার্যক্রম অবশ্যই ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) পোর্টাল ব্যবহার করে সম্পন্ন করতে হবে। সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতেই এসব ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা বলা হয়েছে।

তবে ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে যদি কোনো ক্রয়কারী সংস্থা ই-জিপি পদ্ধতিতে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অসমর্থ হয়, সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) থেকে পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

যেসব প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য

বিধান অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ক্রয়কারী সংস্থার প্রধান হিসেবে তার আওতাধীন—

  • সব প্রকল্প
  • আঞ্চলিক কার্যালয়
  • সব সরকারি কলেজ
  • সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস
  • টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি)
  • এইচএসটিটিআই

ন্যাশনাল একাডেমি ফর অটিজম অ্যান্ড নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটিজ (এনএএএনডি)

এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারি ক্রয় কার্যক্রম বাধ্যতামূলকভাবে ই-জিপি পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ
  • নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও অফিসপ্রধানদের বলা হয়েছে—
  • নির্ধারিত ছক ও নির্দেশনা অনুযায়ী ডোমেন আইডি তৈরি করতে
  • পিই অফিস (Procuring Entity Office) গঠন করতে

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ইউজার আইডি খোলাসহ সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি প্রস্তুতি গ্রহণ করতে

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কেনাকাটায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম কমবে, আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং সরকারি অর্থের অপচয় অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে।

Link copied!