ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

চুয়েট হল থেকে মাদক উদ্ধার, ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

চুয়েট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৮:১৫ এএম
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আবাসিক হল থেকে মাদক উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় তিন শিক্ষার্থীকে সব একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি তাদের আজীবনের জন্য হল থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও আট শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি রাত ১টার দিকে শহীদ তারেক হুদা হলে ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক দল ও মাদক প্রতিরোধ কমিটি যৌথভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে হলের একটি কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ডিসিপ্লিন কমিটির ২৯৯তম জরুরি সভায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
 
কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল আলম স্বাক্ষরিত পৃথক ১১টি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাদক-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় অভিযুক্ত তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনকে ছয় মাস এবং অন্য দুজনকে দুই বছরের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনজনকেই স্থায়ীভাবে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া অভিযানের সময় নিজ কক্ষে অনুপস্থিত থাকা এবং অবরাদ্দপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে থাকার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থী এবং অবৈধভাবে কক্ষ দখল ও সন্দেহজনক বস্তু রাখার অভিযোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শোকজ করা হয়েছে।

শোকজপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে এখনো সরাসরি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের লিখিত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থীকে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে হবে। এ ছাড়া চাইলে তারা ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় স্টুডেন্ট ডিসিপ্লিন কমিটির সভায় উপস্থিত হয়ে ব্যক্তিগত শুনানির সুযোগ পাবেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবু মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী অভিযুক্তরা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।