× UCB Sticker Card
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

প্রাথমিকে বৃত্তি পেল ৭৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, ছাত্রীরা এগিয়ে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি।

রোববার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানান, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৩২ হাজার ৯৬৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৬ হাজার ৩৭৫ জন সরকারি এবং ৬ হাজার ৫৯০ জন বেসরকারি বিদ্যালয়ের। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪৬ হাজার ২৮১ জনের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজার ৪২০ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৯ হাজার ৮৬১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩৫ হাজার ৮৯২ জন ছাত্র, যা মোটের ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। আর ছাত্রী রয়েছে ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন, যা ৫৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। ছাত্রদের মধ্যে ১৬ হাজার ৩৯৮ জন ট্যালেন্টপুল এবং ১৯ হাজার ৪৯৪ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রীরা ট্যালেন্টপুলে ১৬ হাজার ৫৬৭টি এবং সাধারণ বিভাগে ২৬ হাজার ৭৮৭টি বৃত্তি অর্জন করেছে।

মহাপরিচালক বলেন, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা মূল্যায়নের মাধ্যম নয়, বরং ভবিষ্যতে দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

ফল ঘোষণা শেষে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, আগামী বছর থেকে বৃত্তির অর্থ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলের মাসিক ভাতা ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তির মাসিক ভাতা ২২৫ টাকা থেকে ৪৫০ টাকায় উন্নীত করা হবে। একই সঙ্গে এককালীন অনুদানও ২২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫০ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও জানান, ফল অনলাইনে আপলোডের কাজ শুরু হয়েছে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা পাওয়া যাবে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। এর মধ্যে ৬৫ হাজার ৬০৫টি সরকারি এবং ১৩ হাজার ২০৫টি বেসরকারি বিদ্যালয় ছিল।

এ বছর পঞ্চম শ্রেণির ৬ লাখ ৪৫ হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন। তাদের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১২৭ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭৮ হাজার ৮৫৫ জন।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলা। এখানে মোট ৪ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৮৯৭ জন ট্যালেন্টপুল এবং ২ হাজার ৭৮৫ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। বিপরীতে সবচেয়ে কম বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলা, যেখানে নির্বাচিত হয়েছে ১৮৮ জন। এছাড়া দিনাজপুরে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫ হাজার ৩৬৬ জনের মধ্যে ৮ হাজার ৮৯৮ জন উত্তীর্ণ হতে পারেনি, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৬ সালের জন্য বৃত্তির সংখ্যা অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব থাকলেও শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আরও বেশি উৎসাহিত হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!