রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি, বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কা 

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি পালন। ছবি- সংগৃহীত

প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি পালন। ছবি- সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তিন দফা দাবির পক্ষে টানা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে।

আগামী সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দাবি পূরণ না হলে পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষকরা। ফলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা গুরুতর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতের মধ্যে কার্যকর সিদ্ধান্ত না এলে তারা বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করবেন।

প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মু. মাহবুবর রহমান বলেন, আমরা লাগাতার কর্মবিরতি পালন করছি। সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ। রোববারের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সোমবার থেকে পরীক্ষা বর্জন ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো পথ নেই।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এখানে তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মরত। প্রধান শিক্ষকরা ইতোমধ্যে দশম গ্রেডে বেতনভুক্ত হলেও সহকারী শিক্ষকরা এখনও ১৩তম গ্রেডে আছেন। গ্রেড উন্নীতকরণ, উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান ও বিভাগীয় পদোন্নতিসহ বিভিন্ন দাবি জানিয়ে আসছেন।

এর আগে গত ৮-১২ নভেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা। ওই সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৫০ জনের বেশি শিক্ষক আহত হন। পরে মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসে কর্মস্থলে ফেরলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হওয়ায় তারা আবার কর্মবিরতিতে যোগ দেন।

গত ২৭ নভেম্বর ডিপিইর মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান আন্দোলনরতদের সঙ্গে বৈঠক করে পরীক্ষা বর্জন না করার আহ্বান জানান। তবে শিক্ষক নেতারা বলেন, দাবি পূরণের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।

সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবি, বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান ও শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি দিতে হবে।

Link copied!