× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জাককানইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

শীতের দাপটে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ, উদ্বেগে শিক্ষার্থীরা

জাককানইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে সর্দি-কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার মতো সমস্যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রতিদিন রোগীদের ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।

ভোর ও রাতের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়া এবং ঘন কুয়াশার কারণে ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা বাড়ছে। দুপুরে সূর্যের আলো কিছুটা দেখা দিলেও তা দুই ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হচ্ছে না। বিকেল থেকেই শীত ও কুয়াশা পড়া শুরু হয়। রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে শীত ও কুয়াশা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। অনেক শিক্ষার্থী হলে ঠান্ডা পানি ব্যবহার এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষ করে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে গিয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন বলে চিকিৎসকদের ধারণা।

সরেজমিনে দেখা যায়, মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক কক্ষের সামনে রোগীদের দীর্ঘ সারি। কারো হাতে ইনহেলার, কারো মুখে মাস্ক, কারো চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ। কেউ চিকিৎসা নেওয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন, কেউ বা প্রচণ্ড ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে নিজের সমস্যার কথা জানাচ্ছেন।

মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নিতে আসা এক শিক্ষার্থী আবু তাহের মণ্ডল বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড সর্দি-কাশি আর জ্বরে ভুগছিলাম। সকালে ক্লাসে যেতে কষ্ট হচ্ছিল, শরীর খুব দুর্বল লাগছিল। শীতটা এবার হঠাৎ বেশি পড়ায় খাপ খাওয়াতে সমস্যা হচ্ছে। আজ মেডিকেল সেন্টারে এসে চিকিৎসা নিয়েছি। ডাক্তার বিশ্রাম নিতে বলেছেন এবং গরম কাপড় ও গরম পানি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।’

মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. আব্দুল খায়ের মো. হেলাল উদ্দিন জানান, ‘প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন রোগী ঠান্ডাজনিত সমস্যায় চিকিৎসা নিতে আসছেন, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাদের মধ্যে কারো জ্বর, কারো সর্দি-কাশি, আবার কারো শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, শীত অবহেলা করলে সাধারণ সর্দি-কাশিও জটিল রোগে রূপ নিতে পারে।’

পাশাপাশি তিনি গরম পোশাক ব্যবহার, পর্যাপ্ত পানি পান (উষ্ণ বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার), পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এ ছাড়া মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওষুধের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

Link copied!