× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

মে মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস একসঙ্গে পাবেন শিক্ষকরা!

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। ছবি : সংগৃহীত

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। ছবি : সংগৃহীত

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন ও আসন্ন ঈদুল আজহার উৎসব ভাতা নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। বিশ্বস্ত একটি সূত্র বলছে, চলতি মাসের ২৪ তারিখের মধ্যেই ঈদ বোনাস এবং মে মাসের বেতন একসঙ্গে পেতে পারেন শিক্ষকরা।

সোমবার (১১ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার ঈদ বোনাস এবং বেতন একসঙ্গে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ৩ লাখ ৮৭ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর ঈদুল আজহার উৎসব ভাতার প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ভাতার প্রস্তাব এখনো অনুমোদিত হয়নি। তবে আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। অনুমোদনের পর জিও জারি হবে। এরপর আইবাসে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী বলেন, ‘ঈদ বোনাস নিয়ে এখনো জিও জারি না হলেও ঈদের আগেই শিক্ষক-কর্মচারীরা উৎসব ভাতা পাবেন। একইসঙ্গে মে মাসের বেতনও পেয়ে যেতে পারেন তারা।’

প্রতি মাসে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানের জন্য প্রথমে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অনলাইনের মাধ্যমে বেতনের বিল প্রস্তাব আকারে দাখিল করেন। এরপর সেই বিল যাচাই-বাছাই করা হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেতন-ভাতার অর্থ ব্যাংকগুলোতে প্রেরণ করে, যা পরবর্তীতে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা হয়।

উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়াকে নিয়মিত, স্বচ্ছ এবং গতিশীল করার লক্ষ্যে সরকার ডিজিটাল বিল দাখিল ও অনুমোদন ব্যবস্থা চালু করেছে। এই আধুনিক ব্যবস্থার ফলে বেতন প্রক্রিয়াকরণে স্বচ্ছতা বেড়েছে এবং জটিলতা অনেকাংশে কমে এসেছে, যা শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Link copied!