× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম

শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে লড়বেন দুই কিংবদন্তির সন্তান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম

চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ ও চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি।  ছবি : সংগৃহীত

চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ ও চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। ছবি : সংগৃহীত

সোনালি পর্দার সেই অমর স্মৃতির উত্তরাধিকার নিয়ে এবার চলচ্চিত্রের আঙিনায় এক নতুন লড়াইয়ের সুর বেজে উঠেছে। দুই কিংবদন্তির উত্তরসূরি এক হয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির হাল ধরতে। আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ সভাপতি পদে এবং একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হবেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। বাপ্পা ও মুক্তির নেতৃত্বে একটি প্যানেল হচ্ছে বলে তারা দুজনে নিশ্চিত করেছেন।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। এমনকি বিগত সময় কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আরেক কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম। এবার তাদের দুই সন্তান, অর্থাৎ পরবর্তী প্রজন্ম লড়বেন বাবা-মায়ের দেখানো পথে।

সভাপতি পদে প্রার্থী হবেন নিশ্চিত করে অসংখ্য সুপারহিট সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘চেয়েছিলাম বাবার কবর জিয়ারত করে সুখবরটি সামনে আনবো। তার আগেই গণমাধ্যমে চলে এসেছে। তবে এক দিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। কারণ, সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার খবরে অনেক শিল্পীই ফোন করে এবং টেক্সট করে শুভকামনা জানিয়েছেন। অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। খবরটি জেনে তারা ভীষণ খুশি বলে জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখলাম সবাই আমাদের ইতিবাচক ভাবে গ্রহণ করেছেন। শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি। শিল্পীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

‘প্রেমের সমাধি’ খ্যাত এই নায়ক আরও বলেন, ‘আমার বাবা শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। বিগত সময় আমিও কমিটিতে ছিলাম। আনুদিও (আনোয়ারা বেগম) বিগত সময় কমিটিতে ছিলেন। এরই মধ্যে মুক্তিও দায়িত্ব পালন করেছে। আমরা পরবর্তী প্রজন্ম নতুন মেয়াদের নেতৃত্বে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে চাই। এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু পরিকল্পনা করেছি, শিল্পীরা সুযোগ দিলে তাদের কল্যাণে তা বাস্তবায়ন করব। আশা করছি, সম্মানিত শিল্পীরা আমাদের তাদের ভালোবাসায় রাখবেন এবং কাজের সুযোগ করে দিবেন। সেইসঙ্গে আমার ভক্ত এবং দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা চাই।’

বাপ্পা ও মুক্তি জানিয়েছেন যে, তারা সমিতির সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং চলচ্চিত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই নির্বাচনে অংশ নিতে চান। তাদের প্যানেলে রয়েছে নবীন-প্রবীণ তারকা শিল্পীরা।

গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০২৪-২৬ মেয়াদ।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন অর্থাৎ ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাপ্পা ও মুক্তি ছাড়া আরেকটি প্যানেল হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। শিগগিরই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তফসিল ঘোষণা হবে বলে জানা গেছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!