× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০২:০৪ পিএম

ছবির কারণে মুকুট হারালেন মিস ফিনল্যান্ড

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০২:০৪ পিএম

সারাহ জাফস।   ছবি- সংগৃহীত

সারাহ জাফস। ছবি- সংগৃহীত

সদ্য থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্স-২০২৫ প্রতিযোগিতায় ফিনল্যান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী সারাহ জাফস তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা একটি ছবিকে কেন্দ্র করে পূর্ব এশীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি অবমাননার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

ওই ছবিতে সারাহকে চোখের কোণ টেনে চোখ বাঁকা করার ভঙ্গিতে দেখা যায়।

ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘এক চীনার সঙ্গে খাচ্ছি’। মুহূর্তেই ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

চোখ বাঁকা করে দেখানোর এই অঙ্গভঙ্গিকে পূর্ব এশীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি চরম অবমাননাকর ও বর্ণবাদী আচরণ হিসেবে দেখা হয়। এর প্রভাব পড়ে ফিনল্যান্ডের ভাবমূর্তিতেও। বিতর্কের আঁচ গিয়ে লাগে দেশটির জাতীয় বিমান সংস্থা ফিনএয়ার পর্যন্ত, যাদের সঙ্গে সারাহ বিভিন্ন সময় যুক্ত ছিলেন।

ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেত্তেরি অর্পো বিষয়টিকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিনল্যান্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিতর্কের জেরে ২২ বছর বয়সি সারাহ জাফসের ‘মিস ফিনল্যান্ড’ খেতাব কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সারাহ জাফস দাবি করেন, ছবিতে চোখ বাঁকা করার ভঙ্গিটি ছিল রাতের খাবারের সময় মাথাব্যথার কারণে।

পাশাপাশি ফিনল্যান্ডের ট্যাবলয়েড ইলতা-সানোমাতকে তিনি জানান, ১১ ডিসেম্বরের ওই পোস্টে তার অনুমতি ছাড়াই এক বন্ধু আপত্তিকর ক্যাপশন যুক্ত করে দেয়।

ঘটনার পর ইনস্টাগ্রামে ক্ষমা চেয়ে সারাহ লেখেন, এই ঘটনায় অনেক মানুষের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এমনটি করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা, তাদের প্রেক্ষাপট ও বৈচিত্র্যকে সম্মান করা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এই ক্ষমা প্রার্থনাও সমালোচনার বাইরে থাকেনি। কারণ পোস্টটি ফিনিশ ভাষায় লেখা ছিল।

সমালোচকদের মতে, ফিনল্যান্ডের বাইরে থাকা চীনা ও এশীয় জনগোষ্ঠীর মানুষের কাছে এই ক্ষমা বার্তা পৌঁছাবে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে।

একজন সমালোচক মন্তব্য করেন, এশীয়রা আপনার কোনো ক্ষতি করেনি—তবু কেন তাদের অপমান?

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে এখনো এই বিতর্ক ঘিরে আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: পিপল ডটকম

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!