× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম

কলা কেন বাঁকা হয়?

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম

সাগর কলা। ছবি : সংগৃহীত

সাগর কলা। ছবি : সংগৃহীত

কলা এমন একটি ফল, যা সারা বছরই বাজারে সহজলভ্য এবং তুলনামূলকভাবে সস্তা। তবে এই পরিচিত ফলটি নিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে একটি প্রশ্ন—কলা কেন বাঁকা হয়? অন্য ফলের মতো গাছেই কলা কি সোজা হয়ে বড় হতে পারে না? নাকি কেবল পাকা কলাই বাঁকা হয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, কলা বাঁকা হওয়ার পেছনে রয়েছে নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কারণ।

কীভাবে কলা বাঁকা হয়

কলাগাছে প্রথমে যখন মোচা আসে, তখন তার পাপড়ির নিচে সারি সারি ছোট কলা গজাতে শুরু করে। প্রতিটি পাতার নিচে একেকটি গুচ্ছে কলা জন্মায়। শুরুতে কলাগুলো মাটির দিকেই বাড়তে থাকে। কয়েক দিন পর ফল বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে কলা বাঁকতে শুরু করে।

বিজ্ঞানীদের ভাষায়, এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় নেগেটিভ জিওট্রপিজম।

নেগেটিভ জিওট্রপিজম কী

যখন কোনো উদ্ভিদ বা ফল মাধ্যাকর্ষণের বিপরীতে, অর্থাৎ সূর্যের আলোর দিকে বাড়তে শুরু করে, তখন তাকে নেগেটিভ জিওট্রপিজম বলা হয়। গাছের বৃদ্ধি মূলত ফটোট্রপিজম (আলোর প্রভাব), গ্র্যাভিটিজম (মাধ্যাকর্ষণ) এবং অক্সিন নামক হরমোনের ওপর নির্ভর করে।

কলার ক্ষেত্রে শুরুতে মাধ্যাকর্ষণের কারণে ফল নিচের দিকে ঝুলে থাকে। কিন্তু ফল বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের আলোর দিকে বাড়তে শুরু করে। এই দিক পরিবর্তনের কারণেই কলার আকৃতি বাঁকা হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে তুলনা করেন। সূর্যমুখী যেমন সূর্যের দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজের অবস্থান বদলায়, কলাও তেমনি আলোর দিকে বাড়তে গিয়ে বাঁকা আকার ধারণ করে।

কলার বোটানিক্যাল ইতিহাস

বোটানিক্যাল গবেষণা অনুযায়ী, কলাগাছ মূলত ট্রপিক্যাল রেইনফরেস্টের উদ্ভিদ। আগে কলাগাছ বড় বড় গাছের নিচে জন্মাত, যেখানে সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছাত না। সেই পরিবেশে টিকে থাকার জন্য কলাগাছ আলোর দিকে বাড়ার সক্ষমতা অর্জন করে।

বর্তমানে খোলা জায়গায় কলার চাষ হলেও এই স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য রয়ে গেছে। ফলে কলার কুড়ি প্রথমে নিচের দিকে বাড়ে এবং পরে সূর্যের আলো পাওয়ার জন্য ওপরের দিকে বাঁক নেয়। এতেই কলা বাঁকা হয়ে যায়।

সোজা কলা কি আদৌ নেই?

বিশ্বজুড়ে এক হাজারের বেশি প্রজাতির কলা রয়েছে। রং ও আকৃতিতে এদের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। যদিও বেশির ভাগ কলাই বাঁকা, তবে কিছু প্রজাতির কলা তুলনামূলকভাবে সোজা হয়। এসব প্রজাতির ক্ষেত্রে নেগেটিভ জিওট্রপিজমের প্রভাব খুব কম বা নেই বললেই চলে।

Link copied!