× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

সকালের নাশতা দেরিতে করছেন? বাড়তে পারে অ্যাসিডিটির সমস্যা

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ১১:০৯ এএম

পাকস্থলিতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হয়ে অস্বস্তি বাড়ে। ছবি : সংগৃহীত

পাকস্থলিতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হয়ে অস্বস্তি বাড়ে। ছবি : সংগৃহীত

পেটের ভেতরে জমে থাকা অ্যাসিড যখন উল্টো পথে খাদ্যনালিতে উঠে আসে, তখনই দেখা দেয় ‘অ্যাসিড রিফ্লাক্স’ বা সাধারণভাবে যাকে অ্যাসিডিটি বলা হয়। এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে অনেকেই বুক জ্বালাপোড়া, পেট ফাঁপা ও অস্বস্তিকর যন্ত্রণায় ভোগেন।

মুখে তিক্ত স্বাদ আসা, বমিভাব কিংবা অরুচি এই রোগের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। সাধারণত ঝাল-মসলাযুক্ত খাবার বা মানসিক চাপকে দায়ী করা হলেও চিকিৎসকদের মতে, সকালের নাশতা বাদ দেওয়ার অভ্যাসও এই সমস্যাকে অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে।

রাতের দীর্ঘ বিরতির পর পাকস্থলি সকালে খাবারের অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু সেই সময় খাবার না গেলে পাকস্থলিতে থাকা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড নরম আস্তরণে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে শুরু করে, যা জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তির কারণ হয়। একটি ভারসাম্যপূর্ণ সকালের নাশতা এই অ্যাসিডকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

চিকিৎসকের মতে, নিয়মিত সকালের নাশতা শরীরের জৈবিক ছন্দ বা ‘বডি ক্লক’ ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নাশতা না করলে হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং পাকস্থলিতে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হয়ে অস্বস্তি বাড়ে।

খালি পেটে দীর্ঘসময় থাকলে পাকস্থলির সংকোচন বেড়ে যায়, ফলে অ্যাসিড ওপরের দিকে উঠে এসে বুক জ্বালাপোড়ার অনুভূতি সৃষ্টি করে। এ ছাড়া অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস মেটাবলিজম দুর্বল করে দিতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস্ট্রাইটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

বুক ধড়ফড় করা, পেটে ভারী ভাব, মুখে তিক্ত স্বাদ বা খাবারে অনীহা—এসব উপসর্গ বারবার দেখা দিলে তা অবহেলা করা ঠিক নয়। এমন লক্ষণ থাকলে দ্রুত খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।

ঘুম থেকে ওঠার এক ঘণ্টার মধ্যে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। ওটস, ডিম বা ফলের মতো সহজপাচ্য খাবার সকালের জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে। পাশাপাশি সকালে এক গ্লাস পানি পান করা শরীরের হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।

অন্যদিকে খালি পেটে চা বা কফি পান করার অভ্যাস অ্যাসিডিটির মাত্রা বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা।

খাদ্যাভ্যাসে ছোট পরিবর্তন এনে অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে খাবার গিলতে সমস্যা, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া বা দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ব্যস্ততার কারণে সকালের নাশতা এড়িয়ে যাওয়া স্বাভাবিক মনে হলেও, এটি দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সুষম সকালের খাবার শুধু পেটই নয়, পুরো দিনের কর্মক্ষমতা ও সতেজতাও বজায় রাখতে সাহায্য করে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!