× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১২:১৮ পিএম

হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ১২:১৮ পিএম

হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ।  ছবি : সংগৃহীত

হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ । ছবি : সংগৃহীত

আধুনিক অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া এখন একটি সাধারণ সমস্যা। কোলেস্টেরল মূলত এক ধরনের মোম জাতীয় চর্বি, যা রক্তে মিশে থাকে। এর মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে রক্তনালীতে ব্লক তৈরি হতে পারে, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। একে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয় কারণ অনেক সময় উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল থাকলেও বাইরে থেকে কোনো লক্ষণ বোঝা যায় না।

কোলেস্টেরল বাড়ছে কি না বুঝবেন যেভাবে?
শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে সাধারণত কোনো সুস্পষ্ট উপসর্গ দেখা দেয় না। তবে কিছু শারীরিক লক্ষণ দেখে সতর্ক হওয়া জরুরি:

অত্যধিক ক্লান্তি: কোনো পরিশ্রম ছাড়াই সারাক্ষণ ক্লান্তি বা দুর্বল অনুভব করা।

বুক ধড়ফড় করা: সামান্য হাঁটাহাঁটি বা সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বুক ধড়ফড় করা বা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

পা ও হাতের ব্যথা: পায়ের পেশিতে টান ধরা বা প্রায়ই ঝিঁঝিঁ লাগা রক্ত চলাচলে বাধার লক্ষণ হতে পারে।

চোখের কোণে হলুদ দাগ: চোখের পাতার ওপর বা কোণে ছোট ছোট হলদেটে ফোলা দাগ বা পিণ্ড দেখা দেওয়া (একে জ্যানথেলাসমা বলা হয়)।

মাথা ঘোরা ও ঘাড় ব্যথা: উচ্চ রক্তচাপের সাথে কোলেস্টেরল যুক্ত হলে মাঝে মাঝে ঘাড়ের পেছনে ব্যথা বা মাথা ঘোরার সমস্যা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: শারীরিক লক্ষণের ওপর নির্ভর না করে বছরে অন্তত একবার 'লিপিড প্রোফাইল' (Lipid Profile) নামক রক্ত পরীক্ষা করা সবচেয়ে নিরাপদ।

কেন বাড়ে কোলেস্টেরল?
কোলেস্টেরল বাড়ার প্রধান কারণগুলো হলো:

অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ।

শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের অভাব।

ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস।

বংশগত কারণ বা ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগ।

বাড়তি কোলেস্টেরল কমানোর প্রতিকার
ওষুধ খাওয়ার আগেই জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব:

১. খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: রেড মিট (গরু বা খাসির মাংস), ডালডা ও ট্রান্স ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এর বদলে ওটস, বার্লি, ইসবগুলের ভুষি এবং প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি খান। ওমেগা-৩ যুক্ত সামুদ্রিক মাছ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

২. শারীরিক ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০-৪০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা ব্যায়াম করা শরীরের 'গুড কোলেস্টেরল' (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে।

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজন সঠিক মাত্রায় রাখা জরুরি। পেটের চর্বি বা মেদ দ্রুত কমানোর চেষ্টা করুন।

৪. স্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার: রান্নায় সয়াবিন তেলের পরিবর্তে পরিমিত পরিমাণে অলিভ অয়েল বা রাইস ব্র্যান অয়েল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

৫. বাদাম ও ফল: প্রতিদিন এক মুঠো কাঠবাদাম বা আখরোট এবং সাইট্রাস জাতীয় ফল (লেবু, কমলা, মাল্টা) ধমনীর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

উচ্চ কোলেস্টেরল মানেই ভয়ের কিছু নেই যদি আপনি সচেতন থাকেন। সঠিক ডায়েট এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে রক্তে মাত্রা খুব বেশি হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করতে হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!