× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১১:৩২ এএম

শরীরে আয়রনের ঘাটতি ও রক্তস্বল্পতা দূর করার সহজ ও প্রাকৃতিক উপায়

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১১:৩২ এএম

শরীরে আয়রনের ঘাটতি। ছবি : সংগৃহীত

শরীরে আয়রনের ঘাটতি। ছবি : সংগৃহীত

শরীরে ক্লান্তি, অবসাদ, শ্বাসকষ্ট কিংবা অল্পতেই বুক ধড়ফড় করা- এগুলো কেবল কাজের চাপ নয়, হতে পারে শরীরে আয়রনের ঘাটতির লক্ষণ। আমাদের রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের জন্য আয়রন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তনেই এই সমস্যা দূর করা সম্ভব।

আয়রনের ঘাটতি বুঝবেন যেভাবে
শরীরে আয়রন কমে গেলে কিছু উপসর্গ প্রকাশ পায়:

সব সময় দুর্বল ও ক্লান্ত বোধ করা।

ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া।

মাথা ঘোরা বা মাথাব্যথা।

হাত-পা ঠান্ডা হয়ে থাকা।

চুল পড়া বেড়ে যাওয়া ও নখ ভঙ্গুর হওয়া।

আয়রনের ঘাটতি পূরণে সেরা খাবার
খাদ্যতালিকায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার যুক্ত করলে দ্রুত আয়রনের অভাব পূরণ হয়:

১. সবুজ শাকসবজি: পালং শাক, কচু শাক এবং লাল শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। নিয়মিত শাক খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা দ্রুত বাড়ে।

২. কলিজা ও লাল মাংস: গরুর কলিজা বা লাল মাংস আয়রনের অন্যতম সেরা উৎস। উদ্ভিজ্জ উৎসের চেয়ে প্রাণিজ উৎস থেকে শরীর আয়রন বেশি শোষণ করতে পারে।

৩. ডাল ও শস্যদানা: মসুর ডাল, ছোলা, শিমের বিচি এবং সয়াবিনে ভালো পরিমাণে আয়রন পাওয়া যায়।

৪. ফলমূল: ডালিম বা আনার, আপেল, খেজুর এবং কিশমিশ রক্ত তৈরিতে জাদুর মতো কাজ করে।

৫. সামুদ্রিক মাছ ও ডিম: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তত একটি ডিম এবং সামুদ্রিক মাছ রাখা জরুরি।

আয়রন শোষণে ভিটামিন ‘সি’-এর ভূমিকা
অনেকেই প্রচুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খান, কিন্তু শরীর তা গ্রহণ করতে পারে না। আয়রন শোষণের জন্য শরীরে ভিটামিন সি প্রয়োজন। তাই আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের সাথে লেবু, আমলকী, কমলা বা মাল্টার মতো টক জাতীয় ফল খাওয়া উচিত।

যা এড়িয়ে চলবেন
কিছু খাবার শরীরে আয়রন শোষণে বাধা দেয়। তাই আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার ঠিক আগে বা পরে চা, কফি বা অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (যেমন দুধ) খাওয়া এড়িয়ে চলা ভালো। খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর এগুলো পান করা উচিত।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের পরও যদি ক্লান্তি না কমে বা চোখের নিচের অংশ ফ্যাকাশে দেখায়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা (CBC বা Serum Ferritin) করা জরুরি। গুরুতর ঘাটতি থাকলে চিকিৎসক আয়রন সাপ্লিমেন্ট বা সিরাপ দিতে পারেন।

আয়রণের ঘাটতি অবহেলা করলে হৃদরোগ ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের পাতে আয়রন ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের সমন্বয় নিশ্চিত করুন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!