× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম

সংশোধন হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের করা টেলিকম নীতিমালা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম

মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার।   ছবি : সংগৃহীত

মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার। ছবি : সংগৃহীত

অংশীজনদের আপত্তি ও দেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে বৈষম্যের অভিযোগ ওঠার পর গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রণীত ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতিমালা-২০২৫’ সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, তথ্য এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে একত্র করে একটি ক্লাস্টার গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নীতিমালার সংশোধন কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নীতিমালাটি প্রণীত হওয়ার পর থেকেই টেলিকম খাতে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে এতে লাইসেন্সিং কাঠামো তিন স্তরে নামিয়ে আনা এবং বিদেশি বিনিয়োগ সংক্রান্ত কিছু ধারা নিয়ে দেশীয় উদ্যোক্তারা আপত্তি জানান।

নীতিমালার একটি ধারায় বলা হয়েছে, ৬৫ শতাংশ বা তার বেশি বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো টেলিকম খাতের সব স্তরে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এর ফলে মোবাইল অপারেটরদের বিদেশি মালিকরা শুধু সেবা নয়, অবকাঠামো নির্মাণ খাতেও অংশ নিতে পারবেন।

তবে দেশীয় উদ্যোক্তাদের জন্য একই ধরনের সুযোগ না থাকায় বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে টাওয়ার বা এনটিটিএন লাইসেন্সধারী স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাবমেরিন ক্যাবলসহ আন্তর্জাতিক সেবা খাতে প্রবেশে সীমাবদ্ধতা থাকায় সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের টেলিকম খাতে মোট রাজস্বের প্রায় ৮০ শতাংশই মোবাইল অপারেটরদের দখলে। বাকি ২০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড ও অবকাঠামো খাত থেকে আসে। এ অবস্থায় বড় অপারেটরদের অবকাঠামো খাতে প্রবেশ ছোট ও মাঝারি দেশীয় কোম্পানিগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ফাইবার অ্যাট হোমের চিফ ইনফরমেশন অফিসার সুমন আহমেদ সাবির এবং সামিট কমিউনিক্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আল ইসলামের মতে, মোবাইল অপারেটররা যদি সরাসরি ফাইবার ও অবকাঠামো খাতে আধিপত্য বিস্তার করে, তবে দেশীয় এনআইসিএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অন্যদিকে আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হক বলেন, মোবাইল অপারেটরদের বাসাবাড়িতে ইন্টারনেট দেওয়ার সুযোগ থাকলে ছোট আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও নীতিমালা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, নীতিমালাটি বড় কোম্পানিগুলোর স্বার্থ রক্ষাকারী এবং এতে নতুন প্রযুক্তি ও বাজার কাঠামোর স্পষ্টতা নেই।

এদিকে মোবাইল অপারেটর রবি-এর করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স কর্মকর্তা সাহেদ আলম বলেন, পুরো নীতিমালা বাতিল না করে বরং বিতর্কিত ধারাগুলো সংশোধন করাই বেশি কার্যকর হবে।

সবমিলিয়ে সরকারের এই সংশোধন উদ্যোগকে টেলিকম খাতের দেশীয় উদ্যোক্তা ও ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!