অফিসের দৈনন্দিন কাজ, নথিপত্র সংরক্ষণ করা থেকে শুরু করে জরুরি ডকুমেন্ট কপি করা—সবকিছুতেই একটি ভালো ফটোকপি মেশিন কাজের গতি অনেক বাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে বাজারে এমন কিছু ফটোকপি মেশিনের মডেল আছে, যেগুলো দিয়ে শুধু কপি নয়, প্রিন্ট ও স্ক্যানের কাজও একসঙ্গে করা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফটোকপি মেশিনের দাম ও ফিচার তুলনা করে অফিসের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক মডেলটি সহজে বেছে নেওয়া যায়। নিচে জনপ্রিয় পাঁচটি মডেলের কাজের সুবিধাসমূহ তুলে ধরা হলো।
১. Toshiba e-Studio 2323AMW: এই মডেলে ওয়াই-ফাই সুবিধা থাকায় মোবাইল বা ল্যাপটপ থেকে সরাসরি কপি ও প্রিন্ট দেওয়া যায়। ছোট ও মাঝারি আকারের অফিসের দৈনন্দিন কাজের জন্য এটি বেশ কার্যকর।
২. Canon imageRUNNER 2425: A3 সাইজ পর্যন্ত কপি করার সুবিধা থাকায় বড় নকশা, চার্ট বা প্রকল্পের কাগজপত্র সহজেই কপি করা যায়। এটি অফিসের ইন্টারনেটে সংযোগ দিয়ে একাধিক কর্মী একসঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন।
৩. Kyocera Ecosys M4125idn: Ecosys প্রযুক্তির কারণে টোনারের খরচ তুলনামূলক অনেক কম, তাই বেশি ভলিউমের কাজে খরচ বাঁচে। অটো ডুপ্লেক্স ফিচার কাগজের দুই পাশে কপি করে সময় ও কাগজ—দুটোই সাশ্রয় করে।
৪. Sharp BP-20M24L: একই মেশিনে কপি, প্রিন্ট ও স্ক্যানের মাল্টিফাংশন সুবিধা থাকায় আলাদা ফটোকপি মেশিনের প্রয়োজন হয় না। এটি স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্যাংক এবং করপোরেট অফিসে কাজের চাপ সামলাতে বেশ কার্যকর।
৫. Konica Minolta Bizhub 205i: কমপ্যাক্ট সাইজের এই মনোক্রোম মাল্টিফাংশন ফটোকপি মেশিনটি সহজেই অল্প জায়গায় সেটআপ করা যায়। দ্রুত ও পরিষ্কার সাদাকালো কপির জন্য ডেস্কের পাশে রেখে কাজ করার জন্য এটি আদর্শ।
প্রতিটি মডেলের ফটোকপি মেশিনের কাজের ধরন আলাদা। তাই কপির পরিমাণ, কালারের প্রয়োজনীয়তা ও অফিসের জায়গার কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিলে সঠিক ফটোকপি মেশিনটি বেছে নেওয়া অনেক সহজ হয়।

