× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১২:৪১ পিএম

শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি : চিকিৎসকদের পরামর্শ ও সমাধান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১২:৪১ পিএম

শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি : চিকিৎসকদের পরামর্শ ও সমাধান।  ছবি : সংগৃহীত

শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি : চিকিৎসকদের পরামর্শ ও সমাধান। ছবি : সংগৃহীত

সুস্থ থাকার জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পাশাপাশি প্রোটিন বা আমিষ শরীরের অন্যতম প্রধান উপাদান। কোষ গঠন থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, সবকিছুতেই প্রোটিনের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু আপনার শরীর কি পর্যাপ্ত প্রোটিন পাচ্ছে? অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না যে, শরীরে এই গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে প্রোটিনের অভাব হলে কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দেয়। নিচে এমন ৭টি প্রধান লক্ষণ তুলে ধরা হলো যা দেখে আপনি সতর্ক হতে পারেন:

১. মাংসপেশি কমে যাওয়া বা দুর্বলতা
প্রোটিনের প্রধান কাজ হলো- পেশি গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণ। যখন শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকে না, তখন শরীর পেশি থেকে শক্তি নিতে শুরু করে। ফলে পেশি শুকিয়ে যাওয়া বা শারীরিক দুর্বলতা অনুভব হতে পারে।

২. চুল পড়া ও নখের ভঙ্গুরতা
চুল, নখ এবং ত্বক মূলত প্রোটিন (কেরাটিন, কোলাজেন ও ইলাস্টিন) দিয়ে তৈরি। প্রোটিনের ঘাটতি হলে চুল পাতলা হয়ে যায়, প্রচুর পরিমাণে চুল পড়ে এবং নখ সহজেই ভেঙে যেতে শুরু করে।

৩. ঘনঘন ক্ষুধা লাগা
প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। যদি আপনার খাবার খাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই আবার কিছু খেতে ইচ্ছে করে, তবে বুঝতে হবে আপনার খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন নেই।

৪. ত্বক খসখসে হওয়া বা লালচে ছোপ
দীর্ঘদিন প্রোটিনের অভাব থাকলে ত্বক তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারায়। ত্বকে জ্বালাপোড়া, লালচে ভাব বা চর্মরোগের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৫. ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া
শরীরের কোথাও কেটে গেলে বা আঘাত পেলে তা সারিয়ে তুলতে নতুন কোষ ও কোলাজেন প্রয়োজন, যা প্রোটিন থেকে আসে। ঘাটতি থাকলে সামান্য ক্ষত সারতেও অনেক সময় লাগে।

৬. ঘনঘন অসুস্থ হওয়া
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম প্রোটিনের ওপর নির্ভরশীল। প্রোটিন কম থাকলে শরীর অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে না, ফলে সর্দি-কাশি বা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৭. মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা ক্লান্তি
মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারগুলো প্রোটিন দিয়ে গঠিত। এর অভাবে মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং অকারণে মেজাজ খিটখিটে হওয়ার মতো মানসিক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

প্রোটিনের ভালো উৎস

ডিম, মুরগির মাংস, মাছ, ডাল, বাদাম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এবং সয়াবিন। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ওজনের প্রতি কেজির বিপরীতে অন্তত ০.৮ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা প্রয়োজন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!