× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১১:৫৭ এএম

কত বয়স পর্যন্ত দুধ পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১১:৫৭ এএম

দুধ। ছবি : সংগৃহীত

দুধ। ছবি : সংগৃহীত

শৈশবে হাড়ের গঠন আর শারীরিক বৃদ্ধির জন্য দুধ পানের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর বা মধ্যবয়সে এসেও কি দুধ খাওয়া সমান জরুরি? পুষ্টিবিজ্ঞানের মতে, দুধ খাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো উর্ধ্বসীমা নেই; বরং জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে দুধের ভূমিকা ভিন্ন ভিন্ন এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দুধকে বলা হয় ‘আদর্শ খাবার’। জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের শরীরের পুষ্টির প্রধান উৎস হলো দুধ। তবে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যে, নির্দিষ্ট একটি বয়সের পর দুধ খাওয়া কি আদৌ প্রয়োজন কি না। 

শৈশব ও কৈশোরে দুধের ভূমিকা
জন্ম থেকে শুরু করে ১৮-২০ বছর বয়স পর্যন্ত মানুষের হাড়ের গঠন ও উচ্চতা বৃদ্ধির সময়। এই সময়ে দুধের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি হাড়কে মজবুত করতে এবং দাঁতের সুরক্ষায় অপরিহার্য। শিশুদের জন্য প্রতিদিন অন্তত দুই গ্লাস দুধ পান করা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক।

প্রাপ্তবয়স্ক ও মধ্যবয়সে কি প্রয়োজন?
অনেকেই মনে করেন বয়স বাড়লে দুধ খাওয়ার দরকার নেই। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, ২৫ থেকে ৫০ বছর বয়সেও দুধের প্রয়োজনীয়তা কমে না।

পেশি রক্ষা: দুধের প্রোটিন প্রাপ্তবয়স্কদের পেশির ক্ষয় রোধ করে এবং শরীরে শক্তির জোগান দেয়।

মানসিক প্রশান্তি: দুধে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড ঘুমের মান উন্নত করতে এবং দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।

পঞ্চাশোর্ধ্ব ও বৃদ্ধ বয়সে দুধের গুরুত্ব
বয়স ৫০ পার হওয়ার পর নারী ও পুরুষ উভয়েরই হাড়ের ঘনত্ব কমতে শুরু করে, যা থেকে 'অস্টিওপোরোসিস' বা হাড় ক্ষয়ের রোগ হতে পারে।

এই বয়সে হাড়ের ভঙ্গুরতা কমাতে প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ বা দুধজাত খাবার (যেমন দই বা ছানা) খাওয়া অত্যন্ত কার্যকর।

বার্ধক্যে শরীরে পুষ্টির শোষণ ক্ষমতা কমে যায়, দুধ সেই ঘাটতি পূরণে সহজপাচ্য উৎস হিসেবে কাজ করে।

তবে কি সবাই দুধ খেতে পারেন?
দুধ পানের ক্ষেত্রে বয়সের চেয়ে বড় বাধা হতে পারে 'ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স'। অনেকের শরীর বড় হওয়ার সাথে সাথে দুধের শর্করা (ল্যাকটোজ) হজম করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। সেক্ষেত্রে দুধ খেলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা ডায়রিয়া হতে পারে। এমন ব্যক্তিরা দুধের বদলে দই বা ছানা খেতে পারেন।

প্রতিদিন কতটুকু দুধ পান করবেন?
পুষ্টিবিদদের সাধারণ পরামর্শ অনুযায়ী:

শিশু ও কিশোর: প্রতিদিন ৫০০ মিলি (২ গ্লাস)।

প্রাপ্তবয়স্ক: প্রতিদিন ২৫০ মিলি (১ গ্লাস)।

বৃদ্ধ: শারীরিক অবস্থা বুঝে ১ গ্লাস বা সমপরিমাণ দুগ্ধজাত খাবার।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, শরীর যদি দুধ হজম করতে পারে, তবে সারাজীবনই দুধ পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক। এটি কেবল ক্যালসিয়ামের উৎস নয়, বরং শরীরকে চনমনে রাখতে এবং বার্ধক্যজনিত শারীরিক জটিলতা কমাতে এক জাদুকরী পানীয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!