× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম

তীব্র গরমে শিশুর নাভিশ্বাস, সুস্থ রাখতে মায়েদের জন্য জরুরি পরামর্শ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম

তীব্র গরমে শিশুর সুস্থ রাখতে মায়েদের জন্য জরুরি পরামর্শ। ছবি : সংগৃহীত

তীব্র গরমে শিশুর সুস্থ রাখতে মায়েদের জন্য জরুরি পরামর্শ। ছবি : সংগৃহীত

বৈশাখ-জৈষ্ঠ্যের এই খরতাপে জনজীবন ওষ্ঠাগত। বড়দের পাশাপাশি গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশুরা। গরমে শিশুদের সর্দি-জ্বর, ডায়রিয়া, ঘামাচি ও পানিশূন্যতার মতো সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে ওঠে। তাই এই সময়ে শিশুদের সুস্থ রাখতে বাড়তি সতর্কতা ও বিশেষ যত্নের কোনো বিকল্প নেই।

১. পোশাকে আরাম নিশ্চিত করুন
গরমে শিশুকে সবসময় হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরান। সিনথেটিক বা সিল্কের কাপড় ঘাম শুষে নিতে পারে না, যা থেকে ঘামাচি বা ত্বকের অ্যালার্জি হতে পারে। ঘরে থাকাকালীন যতটা সম্ভব পাতলা কাপড় ব্যবহার করুন।

২. পানিশূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত তরল
অতিরিক্ত ঘামে শিশুর শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। এটি রোধ করতে:

শিশুকে বারবার পানি পান করান।

বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরও ডাবের পানি বা ঘরে তৈরি ফলের রস দেওয়া যেতে পারে।

ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে বারবার বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। এই সময়ে বাইরের পানি বা অন্য পানীয় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

৩. গোসল ও পরিচ্ছন্নতা
গরমে শিশুকে প্রতিদিন নিয়ম করে কুসুম গরম বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করান। ঘাম হলে নরম কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন। তবে ঘেমে থাকা অবস্থায় সরাসরি গোসল করাবেন না; আগে ঘাম শুকিয়ে তারপর গোসল করান। শরীর শুকনো রাখতে ট্যালকম পাউডার ব্যবহারের চেয়ে ঘাম মুছে ফেলাই বেশি কার্যকর।

৪. খাদ্যতালিকায় সচেতনতা
বাইরের খোলা খাবার বা রাস্তার ধারের শরবত শিশুকে একেবারেই খাওয়াবেন না। গরমে খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়, যা থেকে ডায়রিয়া হতে পারে। তাই শিশুকে সবসময় টাটকা ও সহজপাচ্য খাবার দিন। তরমুজ, শসা বা পেঁপের মতো জলীয় অংশ বেশি এমন ফল বেশি করে খাওয়ান।

৫. রোদে বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলু
সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সময়ে শিশুকে বাইরে না নেওয়াই ভালো। খুব প্রয়োজনে বের হতে হলে ছাতা ব্যবহার করুন এবং সরাসরি রোদ থেকে শিশুকে আড়াল করে রাখুন।

৬. ঘর ঠান্ডা রাখা
ঘর যেন পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এসিতে রাখলে তাপমাত্রা ২৫-২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখুন। তবে সরাসরি ফ্যান বা এসির বাতাসের নিচে দীর্ঘক্ষণ শিশুকে রাখবেন না।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
যদি দেখেন শিশু খুব বেশি নিস্তেজ হয়ে পড়ছে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেছে, বারবার বমি করছে কিংবা উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর আসছে- তবে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

একটু সচেতনতাই পারে আপনার শিশুকে এই গরমে সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আর সঠিক খাদ্যাভ্যাসই হলো এই সময়ের প্রধান সুরক্ষা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!