× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ১১:৩৪ এএম

অজান্তেই খাবারের সঙ্গে শরীরে ঢুকছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, ঝুঁকি কমাতে পারে ৭ অভ্যাস

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ১১:৩৪ এএম

অজান্তেই খাবারের সঙ্গে শরীরে ঢুকছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, ঝুঁকি কমাতে পারে ৭ অভ্যাস

খাবার, পানীয় ও বাতাসের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা, যা মাইক্রোপ্লাস্টিক নামে পরিচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে এ ধরনের কণার সংস্পর্শ পুরোপুরি এড়িয়ে চলা প্রায় অসম্ভব। তবে দৈনন্দিন জীবনে কিছু সচেতন অভ্যাস গড়ে তুললে এর প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে জমতে থাকলে তা বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। পাশাপাশি ডিএনএর ক্ষতি, কোষের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়া এবং প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

পরিবেশবিদদের মতে, শুধু খাবার নয়, শ্বাস-প্রশ্বাস কিংবা ত্বকের মাধ্যমেও এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তাই সম্পূর্ণভাবে এড়ানো সম্ভব না হলেও কিছু সহজ পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।

মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকি কমাতে করণীয়:

১. সবসময় পরিশোধিত পানি পান করুন
টিউবওয়েল বা অন্যান্য উৎসের পানিতেও মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকতে পারে। তাই পানি পান করার আগে ভালো মানের ফিল্টারের মাধ্যমে ছেঁকে নেওয়া নিরাপদ।

২. প্যাকেটজাত ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান
প্লাস্টিকের মোড়ক বা পাত্রে দীর্ঘসময় রাখা খাবারে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা মিশে যেতে পারে। বিশেষ করে গরম খাবার প্লাস্টিকের সংস্পর্শে থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। তাই যতটা সম্ভব ঘরে তৈরি খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৩. কাচ বা ধাতুর পাত্র ব্যবহার করুন
খাবার সংরক্ষণ বা পরিবেশনের ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের বদলে কাচ কিংবা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহার করা ভালো। এসব উপাদান থেকে খাবারে ক্ষতিকর কণা মেশার আশঙ্কা তুলনামূলক কম।

৪. একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক এড়িয়ে চলুন
প্লাস্টিকের গ্লাস, স্ট্র, চামচ, কাঁটা, ট্রে বা অন্যান্য ডিসপোজেবল সামগ্রী থেকে সহজেই মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এ ধরনের পণ্যের ব্যবহার সীমিত রাখাই ভালো।

৫. পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও প্রাকৃতিক তন্তুর পোশাক বেছে নিন
বাজার করার সময় কাপড় বা চটের ব্যাগ ব্যবহার করুন। একই সঙ্গে পলিয়েস্টারের বদলে সুতি, উল বা লিনেনের পোশাক ব্যবহার করলে সিনথেটিক ফাইবার থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়ানোর ঝুঁকি কমে। তোয়ালে ও বিছানার চাদর কেনার ক্ষেত্রেও প্রাকৃতিক তন্তুর পণ্য বেছে নেওয়া উচিত।

৬. সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন
গবেষণায় দেখা গেছে, সমুদ্রের প্লাস্টিক দূষণের কারণে অনেক সামুদ্রিক মাছ ও প্রাণীর শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক জমা হয়। এসব খাবার গ্রহণের মাধ্যমে সেই কণা মানুষের শরীরেও প্রবেশ করতে পারে।

৭. প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্যের উপাদান পরীক্ষা করুন
টুথপেস্ট, স্ক্রাব বা বিভিন্ন প্রসাধনী কেনার আগে লেবেলে থাকা উপাদানের তালিকা দেখে নিন। সেখানে পলিথিন, পলিপ্রপিলিন বা অনুরূপ প্লাস্টিকজাত উপাদান থাকলে সেগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিক থেকে শতভাগ নিরাপদ থাকা সম্ভব না হলেও সচেতন জীবনযাপন, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং নিরাপদ বিকল্প বেছে নেওয়ার মাধ্যমে শরীরে এর প্রবেশের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো যায়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!