× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ০১:৫৮ পিএম

চীন–বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী

চায়নিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাবের যাত্রা শুরু

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ০১:৫৮ পিএম

চায়নিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাবের যাত্রা শুরু। ছবি : সংগৃহীত

চায়নিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাবের যাত্রা শুরু। ছবি : সংগৃহীত

চীন ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে চায়নিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাব। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বারিধারায় অবস্থিত আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টারের কার্যালয়ে ক্লাবটির উদ্বোধন হয়।

চীনের রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-আয়োজনে এবং আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুই দেশের সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও গভীর ও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চায়নিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাবের ফলক উন্মোচন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওফেং এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপের (সিএমজি) বাংলা বিভাগের পরিচালক ইউ কুয়াং ইউয়ে আনন্দী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা লেখক, প্রকাশক, গবেষক ও সাহিত্যপ্রেমীরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউ কুয়াং ইউয়ে আনন্দী বলেন, চীনের রয়েছে পাঁচ হাজার বছরের দীর্ঘ ইতিহাস ও সমৃদ্ধ সাহিত্য ঐতিহ্য। এই ক্লাবের মাধ্যমে বাংলাদেশের পাঠকদের চীনা সাহিত্য সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হবে। দুই দেশের মধ্যে সাহিত্য বিনিময় আরও বাড়বে। এ উদ্যোগে চীনা দূতাবাস সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখক আহমেদ রিয়াজ বলেন, দুই দেশের লোকগাথার রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাস। চীন ও বাংলাদেশের সাহিত্য বিনিময়ের সূচনা হতে পারে লোকগাথা আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এটি এমন শক্তিশালী এক সেতু, যার মাধ্যমে সাহিত্যের অন্যসব শাখার বিনিময়ও বিস্তৃত হবে।

প্রসিদ্ধ পাবলিশার্সের প্রকাশক প্রদীপ রায় বলেন, এই ক্লাবের মাধ্যমে চীনের বই বাংলায় এবং বাংলাদেশের বই চীনা ভাষায় অনুবাদের সুযোগ তৈরি হবে। চীনা বই অনুবাদের ক্ষেত্রে কপিরাইট নীতিমালা আরও সহজ করা যেতে পারে। পাশাপাশি দুই দেশের বইমেলায় প্রকাশকদের পারস্পরিক অংশগ্রহণ এবং চীনের আধুনিক প্রকাশনা প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগও রয়েছে।

সিএমজি বাংলার ঢাকা অফিসের ফিচার সম্পাদক ও লেখক ফয়সল আবদুল্লাহ বলেন, ‘ভাষাগত সীমাবদ্ধতার কারণে চীনের সমৃদ্ধ সাহিত্য ভান্ডারের বাংলা অনুবাদ বাংলাদেশের পাঠকরা এখনও সেভাবে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। এ ক্ষেত্রে চীনা বইয়ের অনুবাদ, প্রকাশনা ও প্রচারে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মের কাজ করবে চায়নিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাব। আবার এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বাংলাদেশি বইয়ের চীনা অনুবাদ করা হলে চীনা পাঠকরাও বাংলাদেশের গল্প-কবিতা পড়তে পারবেন।’

চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওফেং তার বক্তব্যে বলেন, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ভান্ডারকে ভিত্তি করে চায়নিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। এই প্ল্যাটফর্মে দুই দেশের লেখক, গবেষক ও পাঠকরা গভীর সংলাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। জনগণের সঙ্গে জনগণের বিনিময়, বিশেষ করে সাহিত্য ও চিন্তার আদান-প্রদান এই সম্পর্কের ভিত্তিকে আরও মজবুত করবে। বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের আওতায় ‘জনগণের সঙ্গে জনগণের সংযোগ’-এর একটি উজ্জ্বল উদাহরণ চায়নিজ লিটারেচার রিডার্স ক্লাব।

জাতীয় গ্রন্থাগারের চায়নিজ বুক কর্নারে বাংলাদেশি লেখকদের অংশগ্রহণে নিয়মিত পাঠচক্র আয়োজনেও গুরুত্বারোপ করেন কালচারাল কাউন্সেলর। পাশাপাশি চীনের সাহিত্য নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি লেখক ও প্রকাশকদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

Link copied!