× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

দেশে ফের ভূমিকম্প

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারবেশন টিম।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টা ৩৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। 

বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারবেশন টিম জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ একাধিক জেলায় ভূমিকম্প অনুভূতের খবর পাওয়া গেছে। ইএমএসসির তথ্য মতে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৫১৬ কিলোমিটার দূরে মিয়ানমারের রাখাইনে। রিখটার স্কেলে  এর মাত্রা ছিল মাত্রা ৬ দশমিক শূন্য।

মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্টের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ৬২.৭ কিলোমিটার গভীরে।

এর আগে, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে দেশে ৩ দশমিক শূন্য মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার অব সিসমোলজি (এনসিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ২০ কিলোমিটার গভীরে। এর অবস্থান নির্ণয় করা হয়েছে অক্ষাংশ ২৪ দশমিক ৮৫ ডিগ্রি উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৯২ দশমিক ০৭ ডিগ্রি পূর্বে, যা বাংলাদেশের ভেতরে পড়ে। 

এনসিএস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, ‘রোববার ভোর ৪টা ২ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে বাংলাদেশে ৩ দশমিক শূন্য মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ২০ কিলোমিটার।’

বাংলাদেশ তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেট-ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভারতীয় প্লেট প্রতিবছর প্রায় ৬ সেন্টিমিটার গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে, অন্যদিকে ইউরেশীয় প্লেট উত্তর দিকে প্রায় ২ সেন্টিমিটার গতিতে সরে যাচ্ছে। এই ভূতাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত।

দেশটির আশপাশে বগুড়া ফল্ট, ত্রিপুরা ফল্ট, শিলং মালভূমি, ডাউকি ফল্ট, আসাম ফল্টসহ একাধিক সক্রিয় চ্যুতি রেখা রয়েছে। এসব কারণে বাংলাদেশকে ১৩টি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের জৈন্তাপুর অঞ্চলকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানী ঢাকা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের বসবাসের কারণে শহরটিকে বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ শহরের একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!