× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১০:৫০ এএম

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১০:৫০ এএম

জেনারেল ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ছবি : সংগৃহীত

জেনারেল ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ছবি : সংগৃহীত

মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ৬৫ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। 

সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারসংলগ্ন গোরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। জাতির এ কৃতী সন্তানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার জন্মস্থান সিলেট এবং রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে বেলা ১১টায় রাওয়ার হেলমেট হলে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩৯ সালে ভূগোলে এমএ প্রথম পর্ব পড়ার সময় ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি থেকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন। ১৯৪১ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে তিনি ১৯৪২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটিশ আর্মির সর্বকনিষ্ঠ মেজর হন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে একটি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হয়ে নজিরবিহীন রেকর্ড সৃষ্টি করেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মিয়ানমার (বার্মা) রণাঙ্গনে স্বতন্ত্র যান্ত্রিক পরিবহনে এক বিশাল বাহিনীর অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫ সালে ওসমানী তার বাবার ইচ্ছা পূরণে আইসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটেন ভারতবর্ষকে স্বাধীনতা প্রদান করলে একই সালে ১৪ ও ১৫ আগস্ট পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বতন্ত্র দেশ বিশ্ব মানচিত্রে আবির্ভূত হয়। ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। ওসমানীকে ১৯৫৫ সালের ১২ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনাসদর অপারেশন পরিদপ্তরে জেনারেল স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয়। এখানে তাকে ১৯৫৬ সালে ১৬ মে কর্নেল পদে পদোন্নতি প্রদান করে ডেপুটি ডাইরেক্টর-এর দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়। এ সময় আন্তর্জাতিক সংস্থা সিয়াটো ও সেন্টোতে ওসমানী পাকিস্তান বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে ওসমানী দক্ষতার সঙ্গে ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনের দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে কর্মরত থাকাকালীন ওসমানী একজন স্বাধীনচেতা বাঙালি সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান ওসমানী। ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন ওসমানী। তিনি ১৯৭০-এর নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন ওসমানী। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল ওসমানী।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!