প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এবার মন্ত্রিপরিষদে ৪৯ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
অপরদিকে একই দিন রাতে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে বলে গণ্য হবে। ফলে প্রশাসনিক ও নীতিগত দায়িত্ব এখন নবগঠিত মন্ত্রিসভার ওপর বর্তাবে।
কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ মন্ত্রণালয়), সালাহউদ্দিন আহমেদ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), মো. আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট-কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়), ইকবাল হাসান মাহমুদ (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), হাফিজ উদ্দিন আহমদ (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়), আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়), আব্দুল আউয়াল মিন্টু (পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রণালয়), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়), মিজানুর রহমান মিনু (ভূমি মন্ত্রণালয়), নিতাই রায় চৌধুরী (সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়) ও খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়)।
অন্য পূর্ণ মন্ত্রীদের মধ্যে আছেন—আরিফুল হক চৌধুরী (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), জহির উদ্দিন স্বপন (তথ্য, সম্প্রচার মন্ত্রণালয়), আফরোজা খানম রিতা (বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়), মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী (পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়), আসাদুল হাবিব বুলু (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), মো. আসাদুজ্জামান (আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়), জাকারিয়া তাহের (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), দীপেন দেওয়ান (পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়), আ ন ম এহছানুল হক মিলন (শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়), ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়), শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়)।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পাওয়াদের মধ্যে আছেন—এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), মো. শরিফুল আলম (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়), শামা ওবায়েদ (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ভূমি মন্ত্রণালয়), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়), আমিনুল হক (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়), মীর হেলাল উদ্দীন (পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়), হাবিবুর রশিদ এবং মো. রাজিব আহসান (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়), মো. আব্দুল বারী (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়), ইশরাক হোসেন (মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়), ফারজানা শারমিন (মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়), শেখ ফরিদুল ইসলাম (পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রণালয়), মো. নুরুল হক নুর (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), ইয়াসের খান চৌধুরী (তথ্য, সম্প্রচার মন্ত্রণালয়), এম ইকবাল হোসেইন (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), এম এ মুহিত (স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়), আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), ববি হাজ্জাজ (শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়) ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়)।

