ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

তিন দিনের তেল বিক্রি হয়েছে একদিনে

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহে অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ফিলিং স্টেশনগুলোতে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় পেট্রোল ও অকটেনের ঘাটতির কারণে অনেক স্টেশনে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে মোটরসাইকেল চালক ও যানবাহন চালকদের এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকার পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, অনেক জায়গায় তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁও তালতলা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে শুক্রবার রাত থেকেই তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। স্টক শেষ হয়ে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট স্টেশনের ব্যবস্থাপক।

তিনি জানান, আগে যে পরিমাণ তেল তিন দিনে বিক্রি হতো, সেটি একদিনেই শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে তেল সরবরাহ না আসা পর্যন্ত স্টেশন খোলার বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

চট্টগ্রামেও তেল বিক্রি নিয়ে কিছুটা অস্থিরতা দেখা গেছে। কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় পাম্প বন্ধ রাখতে হয়েছে, আবার কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। অনেক স্টেশনে পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহনকে একবারে ৫০ থেকে ৬০ লিটার ডিজেল দেওয়া হচ্ছে, যাতে সারাদিনে যত বেশি সম্ভব যানবাহনকে সেবা দেওয়া যায়।

ফেনী জেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে মোটরসাইকেল চালকদের সর্বোচ্চ দুই লিটার করে পেট্রোল বা অকটেন দেওয়া হচ্ছে। কিছু স্টেশনে আবার ‘ডিজেল শেষ’ লিখে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

জেলার ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির সভাপতি জানান, ফেনীতে দৈনিক প্রায় আড়াই লাখ লিটার তেলের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় অর্ধেক। এর ফলে শুক্রবার থেকেই সংকট প্রকট হতে শুরু করেছে।

রাজশাহীতেও তেলের সংকটের প্রভাব পড়েছে। অনেক মোটরসাইকেল চালক এক স্টেশনে তেল না পেয়ে অন্য স্টেশনে খোঁজ করছেন। কিছু ফিলিং স্টেশনে তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় সামনে রশি টানিয়ে সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।