× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিকে পারস্পরিক স্বার্থে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, আন্তর্জাতিক চুক্তি দুই পক্ষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে এবং এতে উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। তাই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

মঙ্গলবার (৫ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনাকারী না হলেও রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় চুক্তি ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে, ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে। বরং দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এ চুক্তিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রাপ্ত ব্যাখ্যার ভিত্তিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে। বিদ্যমান চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তদন্ত না হলে তা আরও ইতিবাচক হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কোনো খাতে ‘ওভার ক্যাপাসিটি’ নেই এবং ডাম্পিংয়ের অভিযোগও ভিত্তিহীন। তিনি উল্লেখ করেন, তৈরি পোশাকসহ রপ্তানিমুখী খাতগুলো কঠোর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে পরিচালিত হয় এবং শ্রম আইন লঙ্ঘন বা শিশুশ্রমের সুযোগ নেই।

চুক্তি বাতিলের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ধারা দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হলে তা সংশোধনের সুযোগ চুক্তির মধ্যেই রয়েছে। এটিকে তিনি ‘সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারসহ বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!