× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২৬, ০৪:২৯ এএম

কে হচ্ছেন বিএনপির নতুন মহাসচিব?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২৬, ০৪:২৯ এএম

বিএনপির লোগো।  ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির লোগো। ছবি : সংগৃহীত

রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর দল গোছানোর বড় মিশনে নেমেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সামনে জাতীয় কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে দলটির ভেতরে শুরু হয়েছে ব্যাপক সাংগঠনিক পুনর্গঠনের প্রস্তুতি। মূল দল থেকে শুরু করে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে নতুন নেতৃত্ব আনার বিষয়ে চলছে জোর আলোচনা। দলীয় সূত্র বলছে, ঈদুল আজহার পরপরই সাংগঠনিক পরিবর্তনের দৃশ্যমান প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

এই পুনর্গঠনের সবচেয়ে বড় আলোচনার জায়গা এখন বিএনপির মহাসচিব পদ। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, আন্দোলনে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় একাধিক নেতার নাম ঘুরছে দলীয় অন্দরে। প্রশ্ন উঠেছে- কে হচ্ছেন বিএনপির নতুন মহাসচিব?

দলীয় আলোচনা ও রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত নাম সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর। দীর্ঘদিন ধরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, সংবাদ সম্মেলন এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি সামনের সারিতে রয়েছেন। বিশেষ করে কঠিন সময়ে দলের মুখপাত্র হিসেবে তার ভূমিকা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যেও আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে। ফলে ‘ফুলটাইম অর্গানাইজার’ হিসেবেই তাকে সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে আলোচনায়।

তবে সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নামও। রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার অভিজ্ঞতা দলীয় নেতৃত্বের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত। যদিও বর্তমানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকায় দল ও সরকারের ভারসাম্য কীভাবে বজায় থাকবে—সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।

আলোচনায় রয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, কূটনৈতিক তৎপরতা এবং অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে সক্রিয় এই নেতা দলের শীর্ষ মহলের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগে তার ভূমিকা বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে তুলনামূলক কম সক্রিয়তা তাকে কিছুটা পিছিয়ে রাখতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

অন্যদিকে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় উঠে এসেছে যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির নাম। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়। কর্মীদের সংগঠিত রাখা এবং সাংগঠনিক সংকট মোকাবিলায় তার দক্ষতা দলীয় মহলে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।

তৃণমূলভিত্তিক রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় আলোচনায় রয়েছেন হাবিব উন নবী খান সোহেলও। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এ নেতার সঙ্গে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের যোগাযোগ দৃঢ় বলে মনে করা হয়। দল যদি তৃণমূলকেন্দ্রিক নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে তার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এ ছাড়া মিডিয়ায় বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে আলোচনায় আছেন সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। যদিও সরাসরি সাংগঠনিক কার্যক্রমে সীমিত সম্পৃক্ততার বিষয়টি তার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অভিজ্ঞতার বিচারে আলোচনায় রয়েছেন আমান উল্লাহ আমানও। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপি তুলনামূলক তরুণ ও মাঠসক্রিয় নেতৃত্বের দিকেই ঝুঁকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষে চমক হিসেবে ঘুরছে খায়রুল কবির খোকনের নামও। সংগঠক হিসেবে পরিচিত হলেও জাতীয় পর্যায়ে এখনো বড় প্রভাব তৈরি করতে পারেননি তিনি। তবে দল যদি বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটে, তাহলে নতুন সমীকরণে তার নামও সামনে চলে আসতে পারে।

Link copied!