× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম

জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম

বাংলাদেশ সরাসরি লোগো। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ সরাসরি লোগো। ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি তেলের সাশ্রয় নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মঙ্গলবার (২ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমিয়ে সরকারি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন, কার্যকর ও গতিশীলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও মাঠ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ কর্তৃক আয়োজিত সভা, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য কার্যক্রমে মাঠ পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীদের ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যুক্ত করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মসূচিতে জেলা পর্যায় থেকে এবং জেলা পর্যায়ের কর্মসূচিতে উপজেলা পর্যায় থেকে অংশগ্রহণকারীদের যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত কমবে এবং জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে মনে করছে সরকার।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশেষ প্রয়োজনে সরাসরি সভা, কর্মশালা বা প্রশিক্ষণের আয়োজন করা যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় যৌক্তিকতা বিবেচনায় ব্যবস্থা নিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে।

এদিকে, একই বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল জারি করা পূর্ববর্তী একটি সার্কুলার এ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে জ্বালানি সাশ্রয় ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারি ব্যয় কমবে, অন্যদিকে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!