× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২৬, ১০:৫৩ এএম

ইউএনএইচসিআর’র শুভেচ্ছাদূত হয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাহসান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২৬, ১০:৫৩ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছাদূত তাহসান খান গতকাল বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন। সফরকালে তিনি রোহিঙ্গা তরুণদের সঙ্গে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

আলোচনায় রোহিঙ্গা তরুণরা দীর্ঘদিন ধরে বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থেকেও আশা ধরে রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা সুরক্ষাজনিত ঝুঁকি, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রতিদিনের নানা চ্যালেঞ্জের কথা জানান। একই সঙ্গে শিক্ষা, কমিউনিটির সহায়তা এবং অর্থবহ কর্মকাণ্ড কীভাবে তাদের মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে সহায়তা করছে, সেটিও তুলে ধরেন।

তাহসান খান বলেন, এই তরুণদের দৃঢ়তা ও অদম্য মানসিকতা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। বছরের পর বছর বাস্তুচ্যুত জীবন কাটিয়েও তারা স্বপ্ন দেখতে, শিখতে এবং একটি ভালো ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কণ্ঠ আমাদের মনে করিয়ে দেয় কেন শরণার্থীদের পাশে থাকা এবং তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে টেকসই সমাধানের পথ খুঁজে বের করা জরুরি।

সফরকালে জনপ্রিয় বাংলাদেশি গায়ক, গীতিকার ও অভিনেতা তাহসান খান দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া রোহিঙ্গা তরুণদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। তারা জানান, এসব প্রশিক্ষণ তাদের ব্যবহারিক দক্ষতা গড়ে তুলতে সহায়তা করছে এবং একদিন নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে সাহায্য করছে।

তাহসান বলেন, আজ যেসব তরুণের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে, তাদের অনেকেই জীবনের বেশির ভাগ সময় শরণার্থী হিসেবে কাটিয়েছেন। তবুও তারা শিখছেন, নতুন কিছু তৈরি করছেন এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। তাদের এই দৃঢ়তা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, তরুণদের ওপর বিনিয়োগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। শুধু আশা থাকলেই হবে না, শরণার্থীদের দক্ষতা অর্জনের সুযোগও প্রয়োজন, যাতে একদিন তারা নিজেদের সমাজ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন।

বর্তমানে বাংলাদেশে মিয়ানমারে সহিংসতা ও নিপীড়নের মুখে পালিয়ে আসা প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছেন। রোহিঙ্গারা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রহীন জনগোষ্ঠী।

এমন এক সময়ে তাহসানের এই সফর অনুষ্ঠিত হলো, যখন মানবিক সংস্থাগুলো রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে আসছে। নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের সুযোগ এখনও তৈরি না হওয়ায় শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং তরুণদের সম্পৃক্ততায় বিনিয়োগ তাদের আশা ধরে রাখতে, সক্ষমতা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সফরের শেষে তাহসান খান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি তার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং যারা নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আজ যেসব রোহিঙ্গা মানুষের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে, তারা এখনো একদিন নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও তাদের পাশে থাকা জরুরি।

Link copied!