× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম

সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিতে এসে ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণ থেকে অপহরণের শিকার হন পিরোজপুরের সুখরঞ্জন বালী। তাকে অপহরণের ঘটনায় জড়িতদের একজন এএসপি ফজুলর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে ঢাকায় নিজ বাসা থেকে ফজুলর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার স্বাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে ট্রাইবুনাল এলাকা থেকে অপহরণের ঘটনায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার নাম ফজলুর রহমান। তিনি সহকারী পুলিশ সুপার পদের একজন কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার রাতে তার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১২ সালের ৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আসেন পিরোজপুরের বাসিন্দা সুখরঞ্জন বালী। ওই দিন ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণ থেকে নিখোঁজ হন তিনি। পরে তাকে সীমান্ত এলাকায় পাওয়া যায় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সে সময় জানানো হয়।

তবে তার পরিবার ও কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন অভিযোগ করে, ট্রাইব্যুনাল এলাকা থেকেই তাকে তুলে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৫ সালের ২১ অগাস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর কার্যালয়ে একটি অভিযোগ করেন সুখরঞ্জন বালী।

যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে রাজি না হওয়ায় এবং পরে সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ায় ‘গুম’ ও ‘নির্যাতনের শিকার’ হওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ ৩২ জনের নামে সেখানে অভিযোগ করেন সুখরঞ্জন। ‘অজ্ঞাতনামা’ হিসেবে বিবাদী করা হয় ১০ থেকে ১৫ জনকে।

এ ছাড়া তালিকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ, সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক বিচারক বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবির, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলার সাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন এবং পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম আউয়ালের নাম রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!