× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম

হাইজিনিক প্যাকিং ইউনিট উদ্বোধন, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি : কৃষিমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

দেশের কৃষিপণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে আধুনিক হাইজিনিক প্যাকিং ও ট্রিটমেন্ট সুবিধাসম্পন্ন একটি প্যাকিং ইউনিট উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমসহ বিভিন্ন ফল ও সবজি রপ্তানির নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন-উর রশীদ।

সোমবার (৬ জুলাই) ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট (ভিএইচটি) প্ল্যান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আধুনিক হাইজিনিক প্যাকিং ও ট্রিটমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই প্ল্যান্টে বিশ্বমানের প্যাকিং ও ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে আম, লিচু, কাঁঠাল, বরই, পেঁপে, টমেটো, আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য রপ্তানির উপযোগী করে প্রস্তুত করা যাবে।

তিনি বলেন, দেশে বছরে প্রায় ২৬ লাখ টন আম উৎপাদিত হলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় কৃষক কাঙ্ক্ষিত মূল্য পান না। তাই কৃষকের আয় বাড়াতে কৃষিপণ্য রপ্তানির বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক মানের প্যাকিং ব্যবস্থা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন ট্রিটমেন্ট ও প্যাকিং ব্যবস্থার ফলে আম ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের সঙ্গে ক্ষতিকর পোকামাকড় বা জীবাণু বিদেশে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে না। এতে আমদানিকারক দেশগুলোর আস্থা বাড়বে এবং বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য নতুন নতুন বাজার উন্মুক্ত হবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের আমের প্রতি জাপান, চীন, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ বাড়ছে। একইভাবে কাঁঠালসহ অন্যান্য ফলেরও আন্তর্জাতিক বাজারে ভালো চাহিদা রয়েছে। নতুন প্যাকিং সুবিধা এসব বাজারে প্রবেশকে আরও সহজ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রপ্তানিকারকদের সুবিধার্থে প্যাকিং ইউনিটেই কোয়ারেন্টাইন সেবা চালুর ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি চালু হলে একই স্থানে পণ্য ধোয়া, প্যাকিং এবং কোয়ারেন্টাইন সনদ গ্রহণের সুযোগ পাওয়া যাবে। ফলে সময় ও ব্যয় উভয়ই কমবে এবং রপ্তানি প্রক্রিয়া হবে আরও সহজ ও দ্রুত।

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দরে রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনে কার্গো সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সমন্বয় জোরদারে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

কৃষিপণ্য সংরক্ষণে দেশজুড়ে মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের অপচয় কমবে, কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং সারা বছর তুলনামূলক স্থিতিশীল দামে ভোক্তাদের কাছে কৃষিপণ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

রপ্তানিকারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে হলে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা এবং ক্রেতাদের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি শতভাগ রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের প্রতি বৈশ্বিক আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আধুনিক প্যাকিং, ট্রিটমেন্ট, কোয়ারেন্টাইন ও সংরক্ষণব্যবস্থার সমন্বয়ে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি নতুন গতি পাবে এবং দেশের অর্থনীতিতে কৃষি আরও শক্তিশালী চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

Link copied!