× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বৃহস্পতিবার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৩, ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রাতে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) কমিটির সদস্যরা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন। একই সঙ্গে এই ঘটনা তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গঠিত অপর একটি বিশেষ কমিটি আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাদের পৃথক প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা বা পিআরও মাহমুদুল হাসান নিশ্চিত করেছেন, দুটি পৃথক তদন্ত কমিটির আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর সার্বিক বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৪ জুন বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তখনই এই অবুঝ শিশুদের মৃত্যুর আসল কারণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত ২৭ মে বুধবার ভোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট-অপারেটিভ বা পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে ছয়টি নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হয়েছিল, হাসপাতালের ওই বিশেষ ওয়ার্ডের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসির গ্যাসলাইনে মারাত্মক লিকেজ অথবা অন্য কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাতাসে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে শ্বাসরোধে এই করুণ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

ঘটনার পরপরই রমনা থানা পুলিশ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনার দিনই সন্ধ্যায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্ম সচিবকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে মন্ত্রণালয়। এই কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে শিশুদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান এবং প্রতিকারের বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক নাহিদা ইয়াসমিন ঘটনার পর সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ওই এসি ওয়ার্ডটিতে মোট ১১ জন মা ও ৬টি নবজাতক শিশু ছিল। দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুটি শিশু হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তাদের দ্রুত এনআইসিইউতে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসকেরা সুস্থ দেখার পর আবার মায়ের কাছে ফেরত পাঠান। তবে সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ মায়েরা জানান যে, শিশুদের শরীর অতিরিক্ত নিস্তেজ মনে হচ্ছে। তখন দ্রুত ছয়টি শিশুকেই আবার এনআইসিইউতে নেওয়া হলেও দুটি শিশু নেওয়ার পথেই মারা যায় এবং বাকি চারজনকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রেখেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

Link copied!